সুমনের পর জিন্নাহর মেডিকেলে ভর্তির দায়িত্ব নিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ১২ এপ্রিল ২১ । ১৮:৩৮

সমকাল প্রতিবেদক

সুমন ও জিন্নাহর হাতে মেডিকেলে ভর্তির আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয়

সরিষাবাড়ী পৌর এলাকার মেধাবী শিক্ষার্থী সুমনের পর এবার উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের স্বাধীনাবাড়ী গ্রামের মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর মেডিকেলে ভর্তির দায়িত্ব নিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এমপি।

সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে মুরাদ হাসানের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সুমন ও জিন্নাহর হাতে মেডিকেলে ভর্তির আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন পাঠান, নির্বাহী অফিসার শিহাব উদ্দিন আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক জহুরুল ইসলাম মানিক, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে কাউন্সিলর সাখাওয়াত আলম মুকুল, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

জানা যায়, সুমনের বাবা মিন্টু ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বাবা সুলতান দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালান। সুমন ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু দরিদ্র পরিবারের সন্তান হয়ে তাদের মেডিকেলে পড়া হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছিল।

বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় সংসদ সদস্য  মুরাদ হাসান  তার পক্ষ থেকে কাউন্সিলর সাখাওয়াত আলম মুকুল ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে দুই শিক্ষার্থীর বাড়িতে পাঠান। খোঁজখবর নিয়ে তাদের মেডিকেলে ভর্তির দায়িত্ব নেন ও লেখাপড়া করার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

শিক্ষার্থী সুমন ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ  বলেন, দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায়  পরিবার থেকে মেডিকেলে ভর্তির সংগতি ছিলো না। তাই ভর্তি নিয়ে দুঃচিন্তায় ছিলাম। আমাদের এমপি মুরাদ স্যার আমাদের মেডিকেলে ভর্তির দায়িত্ব নিয়েছেন ও আমাদের পড়াশোনায় আর্থিক সহযোগিতা করারও আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা তার কাছে কৃতজ্ঞ।

এ বিষয়ে ডা. মুরাদ হাসান এমপি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় দুই দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী সুমন ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ টাকার অভাবে মেডিকেলে ভর্তি হতে বা পড়তে পারবে না- এটা কখনো হতে পারে না। আমি তাদের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে দুইজনের মেডিকেলে ভর্তির দায়িত্ব নিয়েছি। তাদের পরিবারের হাতে আপাতত ভর্তির জন্য ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। এরপরও তাদের পড়ালেখা সুন্দর ভাবে পরিচালনার জন্য যে যে সহযোগিতা করার প্রয়োজন আমি ব্যাক্তিগতভাবে তা করবো।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২১

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com