আদালত খোলা বা বন্ধ রাখার এখতিয়ার প্রধান বিচারপতির: আইনমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২১ । ২১:৫২ | আপডেট: ১০ মে ২১ । ১৫:৫৬

সমকাল প্রতিবেদক

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আদালত খোলা বা বন্ধ রাখার এখতিয়ার প্রধান বিচারপতির হাতে, আমার নয়। করোনাভাইরাসের তীব্রতা যদি কমে যায় তবে সেদিক বিবেচনা করে তিনি এ বিষয়ে সঠিকভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে আইনজীবী আব্দুল মতিন খসরুর জানাজা শেষে করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে আদালতের কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

করোনায় মারা যাওয়া সাবেক আইনমন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু সম্পর্কে আনিসুল হক বলেন, মতিন খসরুর সঙ্গে আমার পরিচয় ১৯৬৯ সাল থেকে। তখন তিনি ছাত্রলীগ করতেন। সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল মতিন খসরু একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি পাঁচবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা যখন প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হন, তখন তাকে ছয় মাসের জন্য প্রতিমন্ত্রী করেছিলেন। এরপর ’৯৭ সালের জানুয়ারিতে তাকে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী করা হয়েছিল। ব্যক্তিগতভাবে তিনি আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধার। তিনি আমাকে স্নেহ করতেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সময় তিনি মন্ত্রী ছিলেন, আমরা যেখানে কাজ করতাম, কাজ শেষ করে তিনি সন্ধ্যায় আসতেন, আমাদের কাজ শেষ হলে তিনি বাড়ি ফিরতেন। ১৯৯৬ সালে ইনডেমনিটি অ্যার্ডিন্যান্স বাতিলের সময় জাতীয় সংসদে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, সেটা মনে রাখার মতো। সেদিন তিনি মানুষকে কাঁদিয়েছিলেন।

রাজনৈতিক সহকর্মীর স্মৃতিচারণ করে তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বড় কথা তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন একনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি তার অগাধ বিশ্বাস ছিল। তিনি একজন মেধাবী এবং অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান আইনজীবী ছিলেন। তার মৃত্যুতে আইন অঙ্গনে একটা বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। জানি না এই শূন্যতা পূরণ হবে কিনা। মতিন খসরুর মৃত্যুতে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন আইনজীবী আনিসুল হক।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com