গ্রাহকের জমার বিপরীতে ঋণ নিতে পারবে না এমএফএস

প্রকাশ: ০৬ মে ২১ । ২১:০৫ | আপডেট: ০৬ মে ২১ । ২১:১৫

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

মোবাইল ব্যাংকিং এবং ই-ওয়ালেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো কেবলমাত্র গ্রাহকের জমা সমপরিমাণ ই-মানি বা পরিশোধ ইনস্ট্রুমেন্ট ইস্যু করতে পারবে। কোনো কারণে জমার অতিরিক্ত পরিশোধ হলে তাৎক্ষণিক সমপরিমাণ অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা করতে হবে। কোনো অবস্থায় এধরনের জমার বিপরীতে ঋণ নেওয়া যাবে না।

বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা জারি করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

এ নীতিমালা অমান্য হলে বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা বা তার অনুমোদন বাতিল করতে পারবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস), পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) এবং পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরগুলোর (পিএসও) পরিশোধ ও লেনদেন নিষ্পত্তি সেবা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় গ্রাহক বা মার্চেন্টের অর্থ কিছু সময়ের জন্য নিজেদের জিম্মায় থাকে। সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ধারণ করা অর্থের নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের স্বার্থ রক্ষার জন্য ‘গাইডলাইন্স ফর ট্রাস্ট ফান্ড ম্যানেজমেন্ট ইন পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সার্ভিসেস’ শীর্ষক নীতিমালা প্রণয়ন করা হলো।

এতে বলা হয়েছে, এধরনের প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্যিক ব্যাংকে ‘ট্রাস্ট কাম সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্ট (টিসিএসএ)’ শিরোনামে হিসাব খুলতে হবে। প্রতিদিন লেনদেন শেষে ট্রাস্ট ফান্ডে জমা এবং ই-মানি ইস্যু, পেমেন্ট ইনস্ট্রুমেন্ট, নিস্পত্তি, লেনদেন অথবা বিক্রির তথ্য মেলাতে হবে। তহবিলে কোনো ঘাটতি হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সমপরিমাণ অর্থ জমা দিয়ে অসামঞ্জস্যতা ঠিক করতে হবে। ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থের নির্দিষ্ট একটি পরিমাণ সরকারি সিকিউরটিজ, এফডিআর অথবা বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত অন্য কোনো ইনস্ট্রুমেন্টে বিনিয়োগ করা যাবে। এক্ষেত্রে মূল অর্থ সবসময় সংশ্লিষ্ট হিসাবে জমা করতে হবে। আর এধরনের বিনিয়োগ থেকে আয়ের বিপরীতে পরিচালন ব্যয় বা গ্রাহক সচেতনতায় খরচ করা যাবে।

নীতিমালার আলোকে, অ্যাকাউন্ট পরিচালনার বিষয়ে ব্যাংকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের একটি চুক্তি থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া এধরনের হিসাব বন্ধ করা যাবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক এই তহবিলের লেনদেন, হিসাব সংরক্ষণসহ যে কোনো বিষয়ে তথ্য চাইতে পারবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তহবিল পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধন বা পরিবর্তনের নির্দেশ দিতে পারবে। গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষার জন্য অন্য যে কোনো আইনি ব্যবস্থাও নিতে পারবে।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২১

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com