চিঠিপত্র

১৩ জুন ২১ । ০০:০০

সড়কটি সংস্কার করুন

ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা রেলস্টেশনের সামনের কাঁচা সড়কটি শেষ হয়েছে ভাঙ্গা মহাসড়কে এসে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই সড়ক দিয়ে রাজবাড়ী-ফরিদপুর-ভাঙ্গায় মানুষ আসা-যাওয়া করে। চলতি মাসের শুরুর দিকে কয়েকদিন টানা বৃষ্টির ফলে সড়কটি কর্দমাক্ত হয়ে গেছে। এই সময়ে রেলওয়ের কাজ চলমান থাকায় ওই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছে অসংখ্য মালবাহী ট্রাক। ফলে সড়কটি মানুষের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। মাঝেমধ্যেই সেখানে ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। এমতাবস্থায় সড়কটি সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করা আশু প্রয়োজন। এ ব্যাপারে সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

ইয়ামিন খান
সদর, ফরিদপুর

বিভাগীয় পরীক্ষার মাধ্যমে পদোন্নতি

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা চাকরি জীবনের শেষ পর্যায়ে এসেও পদোন্নতির মুখ দেখেন না। সরকারের অন্যান্য চাকরিতে বিভাগীয় পরীক্ষার মাধ্যমে পদোন্নতি দেওয়া হলেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সেক্ষেত্রে উপেক্ষিত। বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেধাবী শিক্ষকের অভাব নেই। বিভাগীয় পরীক্ষার মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নিয়োগ হলে অনেকে তাদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারবেন। সহকারী শিক্ষকদের বিভাগীয় প্রার্থিতা বহাল রেখে পরীক্ষার মাধ্যমে পদোন্নতি দেওয়া এখন সময়ের দাবি। এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষায় আমূল পরিবর্তন ঘটবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

মুন্নাফ হোসেন, ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল।

বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ভোগান্তি

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর আকাশে মেঘ জমলেই বিদ্যুৎ উধাও হয়ে যায়। একবার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করা হলে তা কখন চালু করা হবে সে বিষয়ে কারও জানা থাকে না। বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করা হলে সেখানকার কর্তাদের মধ্যে কেউ বলেন অপেক্ষা করুন, কেউ বলেন গ্রিড বন্ধ, আবার কেউ বলেন সাবস্টেশনে কাজ চলছে একটু পরেই পাবেন। গোদাগাড়ীতে কয়েক বছরের মধ্যে এ বছর সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছে। এতে জনমনে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের ফলে নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য। এর ফলে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ক্লাস করতে পারছে না। এই সংকট নিরসনে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

মো. আব্দুল হাকিম জুবাইর
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া

জলাবদ্ধতা নিরসন করুন

ঢাকা নগরীর জলাধারগুলো ভরাট হয়ে গেছে। যে ড্রেনগুলো নগরীতে তৈরি করা হয়েছে, সেগুলো কোনো কাজেই আসছে না। তাই সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নগরবাসীকে। একই অবস্থা চট্টগ্রাম নগরীরও। এই দুই নগরীর জলাবদ্ধতার ইতিহাস নতুন নয়। দুই নগরীর বর্তমান ও সাবেক মেয়ররা জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যত ব্যর্থ হয়েছেন। প্রকল্পের পর প্রকল্প বাস্তবায়ন করেও তারা জলাবদ্ধতা নিরসন করতে পারেননি। এ ক্ষেত্রে পরিকল্পনা ও সমন্বয়ে ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়। যার মাশুল দিতে হচ্ছে নগরবাসীদের। নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে পরিকল্পিত ও সমন্বিতভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবি জানাচ্ছি।

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী
ফরিদাবাদ-গেন্ডারিয়া, ঢাকা

© সমকাল ২০০৫ - ২০২১

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com