মিতু হত্যা: নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি আসামি মুছার স্ত্রী পান্নার

প্রকাশ: ০১ জুন ২১ । ১৬:০৭ | আপডেট: ০১ জুন ২১ । ১৬:১০

চট্টগ্রাম ব্যুরো

কামরুল ইসলাম শিকদার মুছার স্ত্রী পান্না আক্তার

চট্টগ্রামে মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলার ‘পলাতক’ আসামি কামরুল ইসলাম শিকদার মুছার স্ত্রী পান্না আক্তার পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

সোমবার জবানবন্দি দেওয়ায় পর ক্ষতির আশঙ্কায় মঙ্গলবার দুপুরে তিনি জিডি করেন। রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি মাহবুব মিল্কী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  

কামরুল ইসলাম শিকদার মুছা চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মধ্যম ঘাগড়া গ্রামের শাহ আলমের ছেলে। তিনি নগরীর বাকলিয়া থানার কালামিয়া বাজার এলাকায় স্ত্রী সন্তান নিয়ে থাকতেন।

সোমবার চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মো. রেজার কাছে পান্না আক্তার ১৬৪ ধারায় সাক্ষী হিসেবে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

ওসি মাহবুব মিল্কী জানান, ২০১৬ সালে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পান্না আক্তারকে বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে কল করে হুমকি দেন। তখন তিনি ওই নম্বরগুলো সংরক্ষণ করতে পারেননি। গতকাল আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা ক্ষতি করতে পারেন, সে আশঙ্কায় তিনি জিডি করেছেন।

থানা-পুলিশ জানায়, আদালতে সাক্ষী হিসেবে পান্না আক্তার ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এতে তিনি বলেছেন, ২০১৬ সালের ওই হত্যাকাণ্ডের পর কিছুদিন পালিয়ে থেকে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁর স্বামী মুছা। তবে যেদিন মুছা আদালতে যাবেন বলে ঠিক করেছিলেন, সেদিনই গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে কয়েকজন তাকে ধরে নিয়ে যান।

২০১৬ সালের ৫ জুন বন্দরনগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় খুন হন এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু। পাঁচ বছর পর আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে এখন কারাগারে আছেন তার স্বামী বাবুল আক্তার। 

হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন পরই তদন্তে কামরুলের নাম চলে আসে। বাবুল আক্তার চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশে দায়িত্ব পালনকালে তার তথ্যদাতা (সোর্স) হিসেবে পরিচিত ছিলেন মুছা।


© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com