কিছু কেন্দ্রীয় নেতা অর্থের লোভে একরাম চৌধুরীকে উস্কানি দেয়: কাদের মির্জা

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২১ । ১৩:০৬

নোয়াখালী ও কোম্পানিগঞ্জ প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা অর্থের লোভে নোয়াখালী ৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরীকে উস্কানি দেয় বলে অভিযোগ করেছেন নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফেসবুক লাইভে তিনি এ অভিযোগ করেন।

একরামুল করিম চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে কাদের মির্জা বলেন, নোয়াখালীতে অপরাজনীতির হোতা আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। কয়দিন তার মুখ বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার রাতে ধর্মপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সহ-সভাপতি আলম মাস্টারকে মদ খেয়ে রাতের ১২টায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছে। একরাম কোথা থেকে এ সাহস পায়? কিছু কেন্দ্রীয় নেতা আজকে অর্থের লালসায় তাকে উস্কানি দেয়। না হলে এ ছেলে এ সাহস কোথা থেকে পায়।

কাদের মির্জা অভিযোগ করেন, একরাম চৌধুরী দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেন। এত বড় সাহস সে কোথা থেকে পায়? কেন্দ্রীয় কিছু অর্থ লোভী নেতাদের কারণে তার মত ছেলে এ কথা গুলা বলার সাহস পায়।

তিনি বলেন, এক বছর সাত মাস আগে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়েছে কিন্তু কমিটি হয়নি। প্রস্তাবিত জেলা আ.লীগের কমিটিতে উপজেলা পরিষদের অনেক চেয়ারম্যানকে রাখা হয়নি। কিন্তু একরাম চৌধুরী তার ক্যাডার সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সামছুদ্দীন জেহানকে ঠিকই রেখেছেন।

গত ৬ মাস ধরে কোম্পানিগঞ্জে অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে। অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানিতে এ উপজেলার মানুষ শংকিত। অবৈধ অস্ত্রের বলি এক সাংবাদিক ও এক পরিবহন শ্রমিক। এছাড়াও গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে শতাধিক দলীয় নেতা কর্মী। তিনি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জানান।

এ বিষয়ে একরামুল করিম চৌধুরীর বক্তব্য নিতে ফোন করা হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।


© সমকাল ২০০৫ - ২০২১

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com