ঢাকায় ফিরতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে শ্রমজীবী মানুষ

প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২১ । ১১:০০ | আপডেট: ০১ আগস্ট ২১ । ১১:০৩

সমকাল প্রতিবেদক

রোববার সকাল থেকেই ঢাকায় প্রবেশ করছে দূরপাল্লার গণপরিবহন

দেশের রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানা চালুর ঘোষণা দেওয়ার পরেই ঢাকায় ও এর আশপাশের এলাকায় কর্মস্থলে ফিরতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে শ্রমজীবী মানুষ। এসব রপ্তানিমুখী শিল্পের শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টদের কাজে যোগদানের সুবিধার্থে ১৬ ঘণ্টার জন্য গণপরিবহন চালু করা হয়েছে। শনিবার ভোর থেকেই দূরপাল্লার গণপরিবহনগুলো ঢাকায় প্রবেশ করছে।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাবতলীতে ঢাকামুখী মানুষের চাপ বাড়লেও শনিবারের তুলনায় আজ কিছুটা কম রয়েছে। তবে যাত্রীদের মধ্যে অধিকাংশই রপ্তানিমুখী শিল্পের শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টরা। নির্ঘুম রাত পাড়ি দিয়ে অনেকেই রোববার সকালে যোগ দিয়েছেন কর্মস্থলে। আবার কেউ কেউ রাস্তায় কিছুটা দুর্যোগের কারণে বিলম্বে হলেও কর্মস্থলে যোগ দেবেন। এর পাশাপাশি লকডাউনে আটকে বাড়িতে আটকে থাকা অনেকেই ঢাকায় ফিরছেন।

সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় ফেরা নাজমুল ইসলাম সমকালকে জানান, শনিবার রাতে রওনা দেই বাড়ি থেকে। সরাসরি বাস পাইনি। ভেঙে ভেঙে ৪-৫টি গাড়ি বদল করে ঢাকায় পৌঁছেছি। এতে আমার ১৬০০ টাকা খরচ হয়েছে। তবুও কাজে যোগ দিতে বাধ্য হয়ে আসতে হয়েছে।

নাটোর থেকে আসা শিল্পী বেগম বলেন, কয়েকজন মিলে একটি ট্রাক ভাড়া করে ঢাকায় ফিরতে হলো। বাস চলার বিষয়টি জানা ছিল না।

যশোর থেকে আসা এমএম পরিবহনের ড্রাইভার মিন্টু বলেন, মাত্র ১৬ ঘণ্টার জন্যে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। এই সময়ের ভেতর যাত্রী নিয়ে ঢাকায় আসা, আবার বাড়িতে ফিরে যাওয়া একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তবুও জীবিকার তাগিদে আসতে হয়েছে।

এদিকে গণপরিবহন খুলে দেওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন গাবতলীতে দায়িত্বরত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর গাজী মাহবুব আলম। তিনি বলেন, আমাদের চেকপোস্ট তুলে নেওয়া হয়েছে। গাড়িচালকদের মধ্যে কিছু সংশয় ছিল, সেটিও কেটে গেছে।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com