সাহিত্যিক-অনুবাদক শেখ আবদুল হাকিম আর নেই

প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২১ । ১৪:৩৪ | আপডেট: ২৮ আগস্ট ২১ । ১৬:২১

সমকাল প্রতিবেদক

শেখ আবদুল হাকিম। ফাইল ছবি

বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও অনুবাদক শেখ আবদুল হাকিম মারা গেছেন।

তার পরিবার জানিয়েছে, শনিবার বেলা ১টার দিকে রাজধানীর মাদারটেকের বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শেখ আবদুল হাকিম মৃত্যুকালে ছেলে শেখ পুলক হাসান, দুই মেয়ে শেখ সাদিয়া হাকিম ও শেখ অপালা হাকিমসহ আত্মীয়স্বজন এবং সারা দেশে তার লেখার অসংখ্য গুণমুগ্ধ পাঠক রেখে গেছেন। তার স্ত্রী ফরিদা বেগম ছয় বছর আগে মারা গেছেন।

অপালা হাকিম জানান, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন। সম্প্রতি রোগের তীব্রতা বেড়ে গিয়েছিল। গত মাসে তাকে চিকিৎসার জন্য বক্ষব্যাধি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে মাসখানেক চিকিৎসা নেওয়ার পর তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে বাড়িতে আনা হয়। এরপর আবার দুই-এক দিন ধরে শ্বাসকষ্ট কিছুটা বেড়েছিল। শনিবার দুপুরের দিকে তার শারীরিক অবস্থা দ্রুত খারাপ হয়ে যায়। চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান।

শেখ আবদুল হাকিমের জন্ম ১৯৪৬ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায়। দেশভাগের পর তারা ঢাকায় চলে আসেন।

শেখ আবদুল হাকিম গত শতকের ষাট দশকের মাঝামাঝি থেকে দেশের অন্যতম প্রকাশনা সংস্থা সেবা প্রকাশনীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে পেশাদার লেখক হিসেবে কাজ করছিলেন। এই প্রকাশন প্রতিষ্ঠানের জনপ্রিয় রহস্য রোমাঞ্চ উপন্যাস সিরিজ ‘কুয়াশা’ ও ‘মাসুদ রানার’ অনেক বইয়ের নেপথ্য লেখক ছিলেন তিনি।এছাড়া নিজ নামেও তিনি এই ধারার বহু জনপ্রিয় রোমাঞ্চ উপন্যাসের অনুবাদ এবং মৌলিক উপন্যাস রচনা করে পাঠকসমাজে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেন। 

মাসুদ রানার জনক কাজী আনোয়ার হোসেন হলেও, এর ২৬০টি বই লিখেছেন শেখ আবদুল হাকিম ; যেখানে তার নাম বা কপিরাইট স্বত্ব কোনোটিই দেননি কাজী আনোয়ার হোসেন ও সেবা প্রকাশনী ৷ 

২০২০ সালের জুন মাসে কপিরাইট অফিসে মামলা দায়ের করে জয়লাভ করেন ​শেখ আবদুল হাকিম।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২১

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com