বাপ্পির পূজা যেভাবে কাটে, যার সঙ্গে কাটে

প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২১ । ১৭:৫৬ | আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২১ । ১৮:০৩

বিনোদন প্রতিবেদক

পূজায় আনন্দ করতে পারেন না ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়ক বাপ্পি চৌধুরী। পারেন না মণ্ডপে মণ্ডপে অন্য আট-দশজন সাধারণ মানুষের মতো ঘুরে বেড়াতে, বন্ধুদের সঙ্গে হইহুল্লুড় করতে। কারণ বাপ্পি চৌধুরী পূজা মণ্ডপে যাওয়া মানেই বাড়তি জটলা তৈরি হওয়া। তাকে ঘিরে ব্যস্ত হয়ে পড়েন ভক্তরা। 

তাই  বাপ্পির পূজা উদযাপনের চিত্রটা এখন অনেকটাই লুকিয়ে বাঁচিয়ে। অথচ একটা সময় পুজোর এমন দিনে বাপ্পি দলবল নিয়ে ছুটে বেড়াতেন নারায়নগঞ্জের পুজো মণ্ডপগুলোয়। পূজার একমাস আগে থেকে শুরু হতো পূজা পালনের প্রস্তুতি।  আর এখন গাড়ির  গ্লাসের ভেতর থেকে অন্যদের পূজা উদযাপন দেখে আনন্দ নিতে হয় বেশি। 

পূজার এই পাঁচদিন পরিবারের সঙ্গেই কাটে বাপ্পির। বাবা-মা, ভাই-বোন ও বন্ধুদের সঙ্গে উদযাপন করেন পুজার সময়টা। এই সময়টায় শুটিংয়ের কোনো কাজ রাখনে না তিনি। পুরোপুরি থাকেন কাজের বাইরে।তবে এখনও বাপ্পি পূজাতে ঘুরেন। তবে সেটা মধ্যরাতে। রাজধানীর ঢাকেশ্বরী, কলাবাগান, বনানীর বিভিন্ন মণ্ডপ ঘুরে বেড়ান বাপ্পী। প্রতিবারের মতো এবারও  মণ্ডপগুলো ঘুরে বেড়িয়েছেন বলে সমকালকে জানালেন বাপ্পি।  

বাপ্পী চৌধুরী বলেন, মধ্যরাত থেকেই আমার পূজা শুরু হয়। সিনেমাতে আসার পর থেকে রাতের বেলা বেশী প্যান্ডেলে যাওয়া হয়। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ঘুরতে পারি না। আমাকে দেখে মানুষজন ছুটে আসে, এতে অনেকসময় বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। রাত যত গভীর হয় পূজা মণ্ডপ অনেকটা ফাঁকা হয়, তখন চুপচাপ যাওয়া হয়। তবে বিসর্জনের দিন সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি।

নায়ক হওয়ার আগে পূজার স্মৃতি মনে করে বাপ্পী বলেন, ছোটবেলার পূজা অনেক মজার ছিল। কমপক্ষে একমাস আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতাম। তখন অনেক হইচই আর আড্ডা দিতাম। সকালে বের হয়ে অঞ্জলি নিতাম। আবার সন্ধ্যাবেলায় বের হয়ে আবার নাচানাচি, মাস্তি। শেষ করে আবার সারারাত বিভিন্ন মণ্ডপ ঘুরতাম। ভোরে বাসায় আসতাম।

তিনি বলেন, এভাবে চলতো পূজার চার দিন। তবে শুধু নারায়ণগঞ্জ থাকতাম না, নরসিংদী কখনও কুমিল্লা চলে যেতাম। এখন পূজা মানে অনেক দায়িত্ব বেড়ে যাওয়া। তারপরও পূজা আসে খুশির খবর নিয়ে। চেষ্টা করি বছরে এই চারটে দিন উৎসবের আমেজে কাটানো।

এদিকে হিন্দুধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব হচ্ছে দূর্গা পূজা হলেও আজ পূজামণ্ডপে বিষাদের ছায়া। হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের ঘরে ঘরে মন খারাপের দিন যেনো আজ। কারণ ঢাক-কাঁসরের বাদ্যি-বাজনা আর পূজারি ও ভক্তদের পূজা-অর্চনায় কেবলই মা দুর্গার বিদায়ের আয়োজন চলছে। পাঁচ দিনের সার্বজনীন মিলনমেলা ভাঙবে আজ।

এবার মা দূর্গার কাছে কি চাইলেন নায়ক বাপ্পি? এমন প্রশ্নের মুখে বাপ্পি বলেন, 'শান্তি, প্রতিবার মা দূর্গার কাছেই সবার জন্য শান্তিই প্রার্থনা করি।'



© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com