অর্থ আত্মসাৎ: সোনালী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ ১১ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশ: ২৬ ডিসেম্বর ২১ । ২৩:২০ | আপডেট: ২৬ ডিসেম্বর ২১ । ২৩:২০

সমকাল প্রতিবেদক

প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডি হুমায়ুন কবীরসহ ১১ ব্যাংকার ও ব্যক্তিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান রোববার এ রায় দেন।

রায়ে বলা হয়, ২০১১ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০১২ সালের ২৭ মের মধ্যে রমনা থানাধীন সোনালী ব্যাংকের হোটেল শেরাটন শাখা থেকে ডিএন স্পোর্টসের নামে ঋণ (পারসোনাল সিকিউরড ক্রেডিট-পিএসসি) নিয়ে এক কোটি ৩৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়।

দুদকের করা এ মামলায় সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হুমায়ুন কবীর এবং সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মাইনুল হক।

সাজাপ্রাপ্ত অন্য ছয় ব্যাংকার হলেন- মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মীর মহিদুর রহমান ও ননী গোপাল নাথ, উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শেখ আলতাফ হোসেন ও সফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজিএম সাইফুল হাসান ও কামরুল হোসেন খান। এই আটজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ননী গোপাল নাথ ও সাইফুল ইসলাম পলাতক।

বাকি তিনজন হলেন- ডিএন স্পোর্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোতাহার উদ্দিন চৌধুরী ও তার মেয়ে পরিচালক ফাহমিদা আক্তার এবং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সফিকুর রহমান। প্রতারণায় সহযোগিতার অভিযোগে তাদের তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ড, এক কোটি ৪২ লাখ ৯৪ হাজার ৭৪ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক। 

এছাড়া প্রতারণার অভিযোগে তাদের আরও পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে। এ তিন আসামির সাজা একত্রে চলবে বলে আদেশে উল্লেখ করেন বিচারক। সে ক্ষেত্রে তাদের পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হবে বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী।

২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক সেলিনা আক্তার মনি ১৬ জনকে আসামি করে রমনা থানায় মামলা করেন। 

তদন্ত শেষে ১১ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১৪ সালের ২২ মে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০১৫ সালের ৪ নভেম্বর ১১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটির বিচার চলাকালে ৬১ সাক্ষীর মধ্যে ৪৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com