চতুর্থ শিল্পবিপ্লব

জোর দিতে হবে দক্ষ জনশক্তি গড়ায়

প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারি ২২ । ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী

সচেতন মানুষমাত্রেই জানা; মানুষের দৈহিক শ্রমকে পরাজিত করে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির ব্যবহারে শিল্পক্ষেত্রে গণোৎপাদন ও গুণগত মানের ব্যাপক উন্নয়ন পর্যায় সাধারণত 'শিল্পবিপ্লব' হিসেবে বিবেচিত। ১৭৬০ থেকে ১৮৬০ সালের মধ্যে গ্রেট ব্রিটেনে শিল্পায়িত সমাজব্যবস্থা প্রবর্তনে বিরাজিত আর্থসামাজিক ও সামষ্টিক মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনে শিল্পবিপ্লবের প্রসার সর্বত্রই সমাদৃত। ১৮৮৪ সালে বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি প্রণীত 'লেকচারস অব দ্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভলিউশনস ইন ইংল্যান্ড' গ্রন্থটি প্রকাশের পর শিল্পবিপ্লব ধারণাটি অধিকতর গুরুত্ব সহকারে শিক্ষিত মহলে বিপুল ব্যবহূত হতে থাকে।

এটি সর্বজনবিদিত, ১৮ শতকের শেষার্ধে শিল্প উৎপাদনের ক্ষেত্রে ইংল্যান্ডে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছিল; তার মূলে ছিল এই শিল্পবিপ্লব। এর ফলে ইংল্যান্ড বিশ্বের প্রথম শিল্পোন্নত রাষ্ট্র এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দেশটির সমৃদ্ধির ভিত রচিত হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করে। পরবর্তীকালে ইউরোপ ও পশ্চিমা জগতের অনেক রাষ্ট্র শিল্পোন্নত হলেও এ অগ্রগতি বৈপ্লবিক আকার ধারণ করতে সক্ষম হয়নি। ইতিহাসবিদদের মতানুসারে, ইউরোপের ইংল্যান্ডে সর্বপ্রথম শিল্পবিপ্লব সংঘটিত হওয়ার কারণ হিসেবে প্রয়োজনীয় উপাদানের অস্তিত্ব বিদ্যমান ছিল। কাঁচামালের সংকট থাকলেও ভারতবর্ষসহ ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণের জাঁতাকলে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এর জোগান সহজসাধ্য করেছিল। একদিকে চরম নিপীড়ন-নির্যাতনের মাধ্যমে কৃষককুলকে স্বল্পমূল্যে কাঁচামাল উৎপাদন-বিপণনে বাধ্য করা এবং অন্যদিকে উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে কদর্য কৌশল অবলম্বন ব্রিটিশরাজের দ্বিমুখী শোষণ প্রক্রিয়াকে পাকাপোক্ত করেছিল বলে বিশিষ্ট দার্শনিক-বিজ্ঞজনের বিশ্নেষণে প্রতিফলিত। দুঃখজনক হলেও সত্য, ইংল্যান্ডসহ কতিপয় দেশের সমৃদ্ধি তাদের প্রাগ্রসর সমাজে উন্নীত করলেও বিপরীতে অনুন্নয়নের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ সমাজ ব্যবস্থাগুলোকে ধ্বংসের পথে এগিয়ে দিয়ে অধিকতর অনগ্রসর জনপদে নিপতিত করে।

মূলত বাষ্প ও জলশক্তি ব্যবহার করে হস্তচালিত শিল্পোৎপাদন ব্যবস্থাকে মেশিনচালিত পদ্ধতিতে রূপান্তরের মাধ্যমে প্রথম শিল্পবিপ্লব শুরু হয়েছিল। ১৮৭০ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে রেলপথ ও টেলিগ্রাফ নেটওয়ার্কের ব্যাপক বিস্তারের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লব বা প্রযুক্তিগত বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল, যা মানুষ এবং চিন্তা-ভাবনার দ্রুততর স্থানান্তরের সুযোগ তৈরি করেছিল। এটি ছিল উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দুর্দান্ত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সময়। এই বিপ্লবের মূল আবিস্কার ছিল বিদ্যুৎ। ক্রমান্বয়ে বিদ্যুৎ চালিকাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয় এবং শিল্পে বাষ্পীয় ইঞ্জিনকে প্রতিস্থাপিত করে। দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লবের নতুন প্রযুক্তির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ছিল রাসায়নিক শিল্পের উদ্ভব এবং প্লাস্টিক-রাসায়নিক সার-কীটনাশক ইত্যাদি উৎপাদনের সূচনা ও প্রসার। বিশ শতকের শেষদিকে দুটি বিশ্বযুদ্ধের শেষে শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির চলমান শিথিলতায় তৃতীয় শিল্পবিপ্লব তথা ডিজিটাল বিপ্লবের উন্মেষ। এর প্রায় এক দশক পরে আসে ফ্লোটিং-পয়েন্ট নাম্বার এবং বুলিয়ান লজিক ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশে সক্ষম জেড ওয়ান কম্পিউটার। যোগাযোগ প্রযুক্তিতে পরবর্তী সময়ে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হচ্ছে সুপার কম্পিউটার। ইন্টারনেটের উদ্ভবে তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়। উন্নত দেশের জনগণ প্রথমে তারযুক্ত টেলিফোন ও বেতার ফোনের পর্যায়ে অগ্রসর হলেও মোবাইল প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে উন্নয়নশীল দেশের অধিকাংশ মানুষ সরাসরি মোবাইল ফোনের জগতে প্রবেশ করে।

আমাদের হয়তো অনেকেরই জানা, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বা ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ হচ্ছে আধুনিক স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে চলমান উৎপাদন এবং শিল্প ব্যবস্থার স্বয়ংক্রিয়করণের সমসাময়িক সংস্করণ। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী বহুল আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম অনুষঙ্গ। সেলফ-অপটিমাইজেশন, সেলফ-কনফিগারেশন, সেলফ-ডায়গনজ, কগনিশনের প্রবর্তন এবং ক্রমবর্ধমান জটিল কাজে কর্মরত কর্মীদের বুদ্ধিদীপ্ত সহায়তায় প্রয়োজনীয় স্বয়ংক্রিয়করণ প্রযুক্তির নবতর বিকাশ। এই ডিজিটাল বিপ্লবের আশীর্বাদে উৎপাদন ব্যবস্থায় কল্পনাতীত পরিবর্তন প্রত্যাশিত। উৎপাদনের জন্য মানুষকে যন্ত্র চালানোর পরিবর্তে যন্ত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও নিখুঁত ও নির্ভুল কর্ম সম্পাদন করার ভিত্তি রচনা করবে। পাশাপাশি চিকিৎসা, যোগাযোগ, প্রকাশনা ইত্যাদি খাতে এর দৃশ্যমান প্রভাব অধিকতর জোরালো হবে। শোয়াব ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের আগাম ফসল হিসেবে ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বের ১০ শতাংশ মানুষের পরিধেয় বস্ত্র এবং চশমার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে ইন্টারনেট। মানুষের শরীরে পাওয়া যাবে স্থাপনযোগ্য মোবাইল ফোন। ৯০ শতাংশ মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করবে। আমেরিকার ১০ শতাংশ গাড়ি হবে চালকবিহীন। ৩০ শতাংশ করপোরেট প্রতিষ্ঠানের অডিট হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন অডিটর দিয়ে। এমনকি কোম্পানির বোর্ডের একজন পরিচালক হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট।


জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত চতুর্থ শিল্পবিপ্লব আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার উপযোগী সক্ষমতা অর্জনে উদ্যোক্তাদের চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, 'বিশ্বে শত বছর পরপর শিল্পক্ষেত্রে বিভিন্ন বিবর্তন দেখা দেয়। এই বিবর্তনের সঙ্গে আমাদের তাল মিলিয়ে চলতে হবে। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায় এরই মধ্যে অতিক্রম হয়েছে। এখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছি। সেটা লক্ষ্য রেখে আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে।' তিনি চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ভিত্তি হিসেবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে শিল্পের বিকাশ, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মী বাহিনী সৃষ্টি ও পরিবেশ সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব আরোপেরও পরামর্শ প্রদান করেন। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রযুক্তি বৈষম্য দূর করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, 'বিজ্ঞানীগণ ধারণা করছেন, অদূর ভবিষ্যতে মানুষকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন যন্ত্রের সঙ্গে সহাবস্থান করতে হবে। কিছু নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। মেশিন মানুষের কর্মক্ষেত্রকে সংকুচিত করবে, সস্তা শ্রমিকের চাহিদা কমে যাবে, অসমতা বৃদ্ধি পাবে এবং অভিবাসনকে উৎসাহিত করবে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বৈদেশিক বিনিয়োগ কমবে ও প্রযুক্তিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বৈষম্য বাড়বে।'

প্রধানমন্ত্রী চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রস্তুতি হিসেবে তার সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয়ে আলোকপাত করেন। গণমাধ্যম সূত্রানুসারে, ২০১৯ সালে এটুআই প্রোগ্রাম ও ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন (আইএলও) চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত যৌথ সমীক্ষায় ৬টি ক্ষেত্র নির্ধারণ করে। ক্ষেত্রগুলো হচ্ছে- সনাতনী শিক্ষা পদ্ধতির রূপান্তর, অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্ভাবনী, গবেষণা-উন্নয়ন বিকশিত করা, সরকারি নীতিমালা সহজ করা, প্রবাসী বাংলাদেশিদের দক্ষতা কাজে লাগানো এবং উদ্ভাবনী জাতি হিসেবে বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করা। ওই সমীক্ষার আলোকে স্কুল পর্যায়ে উদ্ভাবনে সহযোগিতা, প্রোগ্রামিং শেখানোসহ নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ২০২০ সালে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের এলআইসিটি প্রকল্প ১০টি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ওপর দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির প্রশিক্ষণ শুরু করেছে। বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে মর্যাদাসীন বর্তমান সরকার চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ফলে দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধিতে কারিগরি শিক্ষায় সর্বোচ্চ প্রাধান্য আরোপ করেছে। ইতোমধ্যে প্রতি উপজেলায় একটি কারিগরি কলেজ স্থাপনের কাজ পুরোদমে পরিচালিত হচ্ছে। এ ছাড়াও গবেষণা-উদ্ভাবনের জন্য বাজেট বৃদ্ধি, ন্যাশনাল ব্লেন্ডেড লার্নিং পলিসি-২০২১ প্রণয়ন, ১২টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, ১৫টি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠাসহ তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ফলে সৃষ্ট নতুন সম্ভাবনার বিপরীতে তৈরি হয়েছে নানাবিধ ঝুঁকি বা প্রতিবন্ধকতা। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) দাবি অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৮০০ মিলিয়ন মানুষ চাকরি হারাতে পারে। প্রযুক্তিগত দক্ষতার অভাবে প্রায় ৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বাংলাদেশি বিদেশে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত হতে পারেন। একটি যন্ত্র সম্ভাব্যভাবে ১০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব নিয়মিত শ্রমিকের পরিবর্তে অনিয়মিত শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধি করবে। মূলত শ্রমঘন শিল্প স্থাপন এবং উৎপাদিত সামগ্রী 'অফ-শোরিং' প্রক্রিয়ায় উন্নত বিশ্বে রপ্তানির মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলো উন্নয়নে সাফল্য অর্জন করলেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবটের ব্যবহারে উৎপাদনে শ্রমের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস ও শ্রম বাবদ খরচ সাশ্রয়ে সেসব উৎপাদন প্রক্রিয়া নতুন করে উন্নত দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার পদক্ষেপ উন্নয়নশীল বিশ্বকে প্রচণ্ড হুমকির সম্মুখীন করবে। এই বিপ্লবের অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে উচ্চ ব্যয়, উপযুক্ত ব্যবসায়িক মডেলের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো, অস্পষ্ট অর্থনৈতিক সুবিধা ও অতিরিক্ত বিনিয়োগ। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিষয়ক উদ্বেগ, নজরদারি ও অবিশ্বাস তৈরি, সামাজিক বৈষম্য এবং অস্থিরতা বৃদ্ধিও অস্বাভাবিক নয়। রাজনৈতিকভাবে অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং সামগ্রিক দলীয় শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রাখার কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণের সম্ভাব্যতা সৃষ্টিসহ আরও অগণিত প্রতিবন্ধকতার দুর্ভেদ্য প্রাচীর নির্মাণের সমূহ আশঙ্কা রয়েছে।

ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী: শিক্ষাবিদ; সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com