ফরিদপুরে পিয়ারলেস হাসপাতালের ২ পরিচালকের কারাদণ্ড

প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারি ২২ । ২২:৩৩ | আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২২ । ২২:৪০

ফরিদপুর অফিস

পিয়ারলেস হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয় - সমকাল

নানা অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের অভিযোগে ফরিদপুর শহরের পিয়ারলেস হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক মিঠুন চন্দ্র দাস ও আসাদুজ্জামান আসাদকে সাতদিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার রাতে ফরিদপুর শহরের পিয়ারলেস হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমাম রাজি-টুলু। এসময় জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. ছিদ্দীকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা গৃহবধূ হাসনা বেগমকে (৩৫)
পিয়ারলেস হাসপাতালে নিয়ে তার অস্ত্রোপচার করা হয়। এ সময় তার মলদ্বারের নাড়ি
কেটে ফেলা হয় বলে পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ওই গৃহবধুর স্বামী
ইটভাটা শ্রমিক মো. আব্দুল মান্নান ব্যাপারী।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমাম রাজি-টুলু বলেন, ‘হাসপাতালের অনুমোদন ও ডাক্তার না থাকা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ পাওয়া যায়। ২০১৯ সালের পর থেকে হাসপাতালের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়নি।এছাড়া ১০ শয্যার অনুমোদন থাকলেও ২০ শয্যা পাওয়া যায়। হাসপাতালে তিনজন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। ল্যাবের পরিবেশ ছিল নোংরা। ডিপ্লোমাধারী কোন নার্স সেখানে ছিল না।’

সিভিল সার্জন ডা. মো. ছিদ্দীকুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালটির বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়ে এ অভিযান চালানো হয়। তাদের কোনো নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসক ছিল না। ১২ জন নার্স থাকার কথা থাকলেও একজন নার্স পাওয়া যায়। এক মাসের সময় দিয়ে তাদের এসব শর্ত পূরণ করতে বলা হয়েছে, অন্যথায় হাসপাতালটি বন্ধ করে দেওয়া হবে।’

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com