শীতলক্ষ্যা থেকে উদ্ধার দুই লাশের পরিচয় মিলেছে

প্রকাশ: ২৭ জানুয়ারি ২২ । ২১:১০ | আপডেট: ২৭ জানুয়ারি ২২ । ২১:১০

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

তাপসী রানী ঘোষ (বাঁয়ে) ও রোহান চৌধুরী

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর পৃথক স্থান থেকে উদ্ধার হওয়া দুই মরদেহের পরিচয় মিলেছে। তারা হলেন- নগরের পালপাড়া এলাকার বাসিন্দা প্রয়াত গণেশ ঘোষের স্ত্রী তাপসী রানী ঘোষ ও ১ নম্বর বাবুরাইলের প্রয়াত দীনু চৌধুরীর ছেলে রোহান চৌধুরী। এ ঘটনায় হত্যা ও অপমৃত্যুর পৃথক মামলা হয়েছে।

সদর মডেল থানার ওসি শাহ জামান বলেন, নিহত তাপসী রানীর ভাই ননী গোপাল ঘোষ বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। তার বোনকে হত্যার পর লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয় বলে বাদী মামলায় অভিযোগ করেছেন। আর রোহান চৌধুরী নিহতের ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

ননী গোপাল ঘোষের করা মামলা থেকে জানা যায়, ২৩ জানুয়ারি সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ ছিলেন তাপসী রানী ঘোষ। এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় জিডি করা হয়। বিধবা এই নারী নগরের পালপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় একমাত্র সন্তান পিয়াস ঘোষকে নিয়ে থাকতেন। আর্থিকভাবে অসচ্ছল থাকায় ভাইয়েরা তাকে সহযোগিতা করতেন। বুধবার সন্ধ্যায় নৌ-থানা পুলিশের মাধ্যমে ননী গোপাল ঘোষ তার বোনের লাশ উদ্ধারের কথা জানতে পারেন।

রোহানের চাচা দীপু চৌধুরী জানান, ২২ জানুয়ারি তার দুই ছেলে সানি চৌধুরী ও অভি চৌধুরীর বৌভাতের অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে অংশ নেয় ভাতিজা রোহান। বিকেলে বাসায় ফিরে একটি জ্যাকেট নিয়ে বন্দরে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে যায়। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। রোহান নগরের হাবিব কমপ্লেক্সের একটি হোসিয়ারিতে কাজ করতেন। নিখোঁজের পর তার মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে খোঁজাখুঁজি শেষে গত সোমবার সদর মডেল থানায় জিডি করা হয়।

দীপু চৌধুরী আরও জানান, রোহানকে হত্যার পর লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে তারা সন্দেহ করছেন।

মঙ্গলবার সকালে শীতলক্ষ্যার হাজীগঞ্জ ফেরিঘাট ও একরামপুর এলাকা থেকে তাপসী রানী ও রোহানের লাশ উদ্ধার করা হয়।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com