ভাষার মাস

ভাষা সংগ্রামের পূর্বপাঠ: তাত্ত্বিক সংগ্রাম

প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২২ । ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রফিউর রাব্বি

বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিটি পাকিস্তান সৃষ্টির আগে থেকেই উচ্চারিত হচ্ছিল। ভাষা আন্দোলনের আগে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে-বিপক্ষে একটি তাত্ত্বিক লড়াই শুরু হয়েছিল এবং তা চলেছিল দীর্ঘদিন। অনেকেই ভাষা সংগ্রামের আদিপর্বের এ লড়াইটিকে ভাষা আন্দোলনের তাত্ত্বিক লড়াই বলে উল্লেখ করেন। ১৯৪৭ সালের ১৭ মে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য চৌধুরী খালেকুজ্জামান হায়দ্রাবাদে অনুষ্ঠিত 'ইত্তেহাদুল মুসলেমিন'-এর এক উর্দু সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে 'উর্দুই পাকিস্তানের জাতীয় ভাষা হইবে' বলে দাবি করার পরপরই এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু হয়ে যায়। পক্ষে-বিপক্ষে বক্তব্য ও লেখালেখি শুরু হয়। ৩ জুন 'কাফেলা' পত্রিকার প্রথম বর্ষ, প্রথম সংখ্যায় কবি বুদ্ধদেব বসুর একটি চিঠি প্রকাশিত হয়। তিনি পত্রিকার সম্পাদক বরাবর চিঠিটি লেখেন। তিনি লেখেন, 'কলকাতার মুসলমান সাহিত্যিকরা মিলে নতুন একটি বাংলা সাপ্তাহিক বের করেছেন, এই খবর পেয়ে উৎসাহিত হয়েছি। রাষ্ট্রব্যবস্থা যে রকমই হোক, স্বাধীন দেশে মাতৃভাষা ভিন্ন অন্য কোনো ভাষা যে রাষ্ট্রভাষার স্থান পেতে পারে, আধুনিক জগতে এ প্রস্তাব অচিন্তনীয়। ...আশা করি, আপনাদের পত্রিকায় এই বিষয়টিকে যথোচিত প্রাধান্য দেবেন।'

আবদুল হক 'বাংলা ভাষাবিষয়ক প্রস্তাব' শিরোনামে দীর্ঘ একটি প্রবন্ধ লেখেন। দৈনিক ইত্তেহাদ পত্রিকার রবিবাসরীয় পাতায় ২২ ও ২৯ জুন দুই কিস্তিতে তা প্রকাশিত হয়। তখন কবি আহসান হাবীব ছিলেন ইত্তেহাদের রবিবাসরীয় পাতার সম্পাদক। এর একদিন পর ৩০ জুন 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা' শিরোনামে আবদুল হকের আরেকটি প্রবন্ধ দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হয়। তিনি লেখেন, 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে, তা এখন স্থির করার সময় এসেছে। যে ভাষাকেই আমরা রাষ্ট্রভাষারূপে গ্রহণ করি, তার আগে আমাদের বিশেষভাবে ভেবে দেখতে হবে, কোন ভাষাকে রাষ্ট্রভাষারূপে গ্রহণ করলে সব থেকে বেশি সুবিধা হবে, কোন ভাষায় পাকিস্তানের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক লোক কথা বলে...। যেদিক থেকেই বিবেচনা করা যাক না কেন, পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার দাবিই সবচেয়ে বেশি।... যারা বলেন যে, বাংলা হিন্দুর ভাষা এবং পৌত্তলিকতার ভাষা, মুসলমানদের ভাষা নয়, তারা কেউ এই ভাষা সম্বন্ধে জ্ঞান রাখেন না। '

এর কিছুদিন আগে ২৩ জুন কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র 'স্বাধীনতা' পত্রিকায় আয়েশা বেগম নামে একজনের চিঠি প্রকাশিত হয়েছিল। তাতে 'পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা' শিরোনামে তিনি লেখেন. 'সম্পাদক সাহেব, একটি কথা উঠেছে পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা নাকি হবে উর্দু। বাংলা ও আসামের যে যে অংশ নিয়ে পূর্ব পাকিস্তান গঠিত হচ্ছে তার চারটির অধিবাসীদের মধ্যে বাংলা যারা বলে না কিংবা বাংলা যাদের মাতৃভাষা নয়, তেমন লোকের সংখ্যা হাজারে একজনেরও কম। ... যদি আমাদের কাটমোল্লা শ্রেণির কোনো কোনো লীগ নেতার সমাজে এই গণতন্ত্রবিরোধী অবাস্তব পরিকল্পনা ঠাঁই পায় তবে তার বিরুদ্ধে জনমত গঠন করা একান্ত প্রয়োজন।' সাপ্তাহিক মিল্লাত-এর ২৭ জুন সংখ্যার সম্পাদকীয়তে লেখা হয়, 'মাতৃভাষার পরিবর্তে অন্য কোনো ভাষাকে রাষ্ট্রভাষারূপে বরণ করার চাইতে বড় দাসত্ব আর কিছু থাকিতে পারে না। পূর্ব পাকিস্তানবাসীকে এই ঘৃণ্য দাসত্বের শৃঙ্খলে বাঁধিতে যদি কেহ বাসনা করে তাহা হইলে তাহার সেই উদ্ভট বাসনা বাঙালির প্রবল জনমতের ঝড়ের তোড়ে তৃণখণ্ডের মতো ভাসিয়া যাইবে।'

জুলাই মাসে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দীন আহমেদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে তার অভিমত ব্যক্ত করেন। এরপর মাহবুব জামাল জাহেদী বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে 'রাষ্ট্রভাষা-বিষয়ক প্রস্তাব' শিরোনামে ২০ জুলাই দৈনিক ইত্তেহাদে একটি দীর্ঘ প্রবন্ধ লেখেন। ২৭ জুলাই 'উর্দু রাষ্ট্রভাষা হলে' শিরোনামে দৈনিক ইত্তেহাদে আবদুল হকের আরেকটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। এরপর দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা সমস্যা' শিরোনামে এক প্রবন্ধে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি ড. জিয়াউদ্দীন আহমেদের বক্তব্যের অসারতা প্রমাণ করে লেখেন, 'ড. জিয়াউদ্দীন আহমদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষারূপে গ্রহণ করার পক্ষে অভিমত দিয়েছেন। কিন্তু তিনি বোধ হয়, এ কথা ভুলিয়া গিয়াছেন যে, পাকিস্তানে মুসলমান ব্যতীত বহু সংখ্যক হিন্দু ও শিখ নাগরিক আছে। ...ভারতের সর্বত্রই অনেকে মোটামুটিভাবে উর্দু ভাষা বুঝিতে পারে। এমনকি আরব, ইরান, আফগানিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার অধিবাসীগণও সহজেই অনুসরণ করিতে পারিবে। এই দিক দিয়া উর্দুর হিন্দি অপেক্ষা আন্তর্জাতিক ভাষারূপে পরিগণিত হইবার সুবিধা আছে। কিন্তু উর্দু অপেক্ষা ইংরেজির দাবি অগ্রগণ্য। ইংরেজি ভাষা ব্যবহারে যে সুবিধা পাওয়া যাইবে, উর্দু ভাষা সে তুলনায় নগণ্য।'


৩ আগস্ট 'বেগম' পত্রিকায় 'পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা' শিরোনামে 'মিসেস এম. এ. হক' ছদ্মনামে আবদুল হকের একটি ছোট নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। তিনি লেখেন, 'বাংলা এবং উর্দু এই দুই ভাষাকেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষারূপে গ্রহণ করা সংগত। সুইজারল্যান্ড, কানাডা প্রভৃতি দেশে একাধিক ভাষা রাষ্ট্রভাষারূপে গৃহীত হয়েছে, পাকিস্তানেও গ্রহণ না করার কারণ নেই।' বাঙালি কবি ও বুদ্ধিজীবীদের মধ্যেও তখন কেউ কেউ উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে কলম ধরেন। তারা এমনও লেখেন 'রাষ্ট্রভাষা হওয়ার যোগ্যতা বাংলা ভাষার নেই।' তাত্ত্বিক এ বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরে চলে।

বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা ঘোষণার দাবি জানিয়ে ১৭ নভেম্বর ১৯৪৭ কয়েকশ বিশিষ্ট বাঙালি নাগরিক প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিনের কাছে স্মারকলিপি দেন। এর পরদিন দৈনিক আজাদ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়, 'বাংলা ভাষাকে পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বলিয়া ঘোষণা করার অনুরোধ জানাইয়া পূর্ববঙ্গের প্রধানমন্ত্রীর নিকট একখানি স্মারকপত্র দাখিল করা হইয়াছে। পূর্ব পাকিস্তানের শত শত নাগরিক এই স্মারকপত্রে স্বাক্ষর করিয়াছেন এবং ইহাদের মধ্যে সাহিত্যিক, কবি, শিল্পী, সংগীতজ্ঞ, আইনজীবী, অধ্যাপক, ওলামা, ছাত্র, রাজনৈতিক নেতা, ডাক্তার, মহিলা সকলেই আছেন।' স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতির সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ, মৌলানা আবদুল্লাহিল বাকী এমএলএ, তমদ্দুন মজলিসের সেক্রেটারি অধ্যাপক আবুল কাশেম, 'জিন্দিগী' সম্পাদক কাজী আফসার উদ্দিন, আবু জাফর শামসুদ্দিন, জহুর হোসেন চৌধুরীসহ আরও বিশিষ্টজন ছিলেন।

মাসিক 'আল ইসলাহ'র নভেম্বর সংখ্যায় 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা' শিরোনামে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার পক্ষে মুহম্মদ মুসলিম চৌধুরী বিএবিটির একটি দীর্ঘ প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। প্রবন্ধে তিনি অত্যন্ত যুক্তি সহকারে বাংলার পক্ষে তার মতামত তুলে ধরেন। অধ্যাপক ড. কাজী মোতাহার হোসেন লেখেন, 'যদি গায়ের জোরে উর্দুকে বাঙালি হিন্দু-মুসলমানদের উপর রাষ্ট্রভাষারূপে চালাবার চেষ্টা হয়, তবে সে চেষ্টা ব্যর্থ হবে। ... শিগগিরই তাহলে পূর্ব-পশ্চিমের সম্বন্ধের অবসান হওয়ার আশঙ্কা আছে।' ড. মুহম্মদ এনামুল হক লেখেন, 'উর্দু বাহিয়া আসিবে পূর্ব পাকিস্তানবাসীর মরণ, রাজনৈতিক, রাষ্ট্রীয়, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক মৃত্যু।' চতুরঙ্গ ১৯৪৮ সালের জুলাই-আগস্ট সংখ্যায় 'পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা' শিরোনামে সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। প্রবন্ধটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। মুজতবা আলী লেখেন, 'পূর্ব পাকিস্তানের অনিচ্ছা সত্ত্বেও যদি তার ঘাড়ে উর্দু চাপানো হয় তবে উর্দু ভাষাভাষী শুধু ভাষার জোরে পূর্ব পাকিস্তানকে শোষণ করতে চেষ্টা করবে- ফলে জনসাধারণ একদিন বিদ্রোহ করে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।' আবুল মনসুর আহমদ 'বাংলা ভাষাই হইবে আমাদের রাষ্ট্রভাষা' শীর্ষক নিবন্ধে লেখেন, ''উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করিলে পূর্ব-পাকিস্তানের শিক্ষিত সমাজ রাতারাতি 'অশিক্ষিত' ও সরকারি চাকরির অযোগ্য বনিয়া যাইবে। ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে ফারসির জায়গায় ইংরেজিকে রাষ্ট্রভাষা করিয়া বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদ মুসলিম শিক্ষিত সমাজকে রাতারাতি 'অশিক্ষিত' ও সরকারি কাজের 'অযোগ্য' করিয়াছিল।''

১৯৪৮-এর ৩১ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম সাহিত্য সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বললেন, 'আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি। এটি কোনো আদর্শের কথা নয়, এটি বাস্তব কথা।' তখন রাষ্ট্রভাষার সাথে সাথে বাঙালির আত্মপরিচয়ের প্রশ্নটি বড় হয়ে সামনে আসে। মোতাহের হোসেন চৌধুরী বললেন, 'ধর্ম পরিবর্তনশীল কিন্তু বাঙালিত্ব পরিবর্তনসাপেক্ষ নয়।' সে সময়ের বিতর্কে সাদাত আলী আখন্দ 'বাঙালি' শিরোনামে প্রবন্ধে তির্যকভাবে লিখলেন, 'যদ্দূর পারেন তসবি টিপুন, মালা জপুন : তার সঙ্গে বাঙালিত্বের কোনো বৈরিতা নেই। রিলিজিয়ন ও ন্যাশনালিটি এক জিনিস নয়।'

১৯৫১ সালের আদমশুমারির পর পাকিস্তানের বিভিন্ন ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর আনুপাতিক হার প্রকাশ করা হয়। তাতে দেখা যায়, শতকরা হিসাবে বাঙালি ৫৪.৬০, পাঞ্জাবি ২৮.৪০, উর্দুভাষী ৭.২০, পশতু ৭.১০, সিন্ধি ৫.৮০ ও ইংরেজি ১.৮০ ভাগ বলে উল্লেখ করা হয়। এখানে কিছু দ্বিভাষীর কারণে উল্লিখিত মোট অনুপাত দাঁড়ায় ১০৪.৯০। রাষ্ট্রের অর্ধেকেরও বেশি জনগোষ্ঠীর ভাষা বাংলা হওয়ায় সংগত কারণেই রাষ্ট্রভাষাকে বাংলা করার পক্ষে বাঙালির দাবি অত্যন্ত ন্যায্য ও যুক্তিসংগত। রাষ্ট্রভাষা ও বাঙালির আত্মপরিচয়ের এ তাত্ত্বিক-বিতর্ক তখন দেশের কয়েকটি জেলা শহরেও ছড়িয়ে পড়েছিল। ১৯৪৭-এর ডিসেম্বর মাসে নারায়ণগঞ্জের বিজলী প্রেস থেকে 'স্ম্ফুলিঙ্গ' নামে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটিতে 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা কেন' শিরোনামে ড. এনামুল হকের লেখা একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। লেখাটির প্রথম কিস্তি প্রকাশিত হয়েছিল এবং পরবর্তী দুই সংখ্যায় এটি শেষ হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পাকিস্তান সরকার পত্রিকাটির প্রকাশিত ঐ সংখ্যাটি বাজেয়াপ্ত করে দেয় এবং পরে বিজলী প্রেসটিকেও তারা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেয়।

বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ একটি শ্রেষ্ঠ ঘটনা। এ মুক্তিযুদ্ধের আঁতুড়ঘর হচ্ছে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, আর বায়ান্নর সূতিকাগার হচ্ছে পাকিস্তান-পূর্বকাল থেকে এ ভূখণ্ডে সংঘটিত বাংলা ভাষা নিয়ে 'তাত্ত্বিক লড়াই পর্ব'। এ লড়াইয়ে বাংলার পক্ষে যারা লড়েছেন স্বাধীনতায় তাদের অবদানও অনস্বীকার্য। তারা যেমন ভাষাসৈনিক, তেমনি আমাদের মুক্তি সংগ্রামেরও আদিযোদ্ধা।

রফিউর রাব্বি: লেখক ও নাগরিক অধিকারকর্মী

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৭১৪০৮০৩৭৮ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com