বাজারে অনিয়ম থামছে না

প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২২ । ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

অনিক বণিক

রমজান মাস এলেই স্বাভাবিকভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের চাহিদা কিছুটা বাড়ে। এ সুযোগকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা নিত্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে। ফলে মজুত থাকার পরও পণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পায়। বাজারে বিদ্যমান পরিস্থিতি এ সাক্ষ্যই বহন করছে। ১০ এপ্রিল সমকালে 'বাজার অনিয়মের গণ্ডিমুক্ত হোক' শিরোনামে এম হাফিজ উদ্দিন খানের নিবন্ধে অনেক কিছুই উঠে এসেছে। তিনি যথার্থভাবেই বাজারের উত্তাপের চিত্র তুলে ধরেছেন। তার সঙ্গে একমত পোষণ করে বলতে চাই, বাজারে অসাধু ব্যবসায়ীদের স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থার বিকল্প নেই। বাজারে খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় প্রতিটি পণ্যের সরবরাহ হঠাৎ হ্রাস পেয়েছে। তাই দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বাভাবিক কারণেই পাইকারি বাজারের প্রভাব খুচরা বাজারে পড়েছে। মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিক্রিও কমে গেছে। সীমিত আয়ের মানুষ প্রতিদিনের প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে। পাইকারি বাজারে পণ্যের আমদানি হ্রাস পাওয়ার কোনো কারণ সংশ্নিষ্টরা জানাতে পারেনি। এর পেছনে মজুতদারদের কোনো হাত আছে কিনা তা খুঁজে বের করা কঠিন নয়। মজুতদারদের অপতৎপরতা সব সময়েই বাজারকে অস্থির করে তোলে।

বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির দায় নিতে নারাজ খুচরা বিক্রেতারা। তাদের কথা, আড়তদাররা পণ্য মজুত করছে বলেই দাম বাড়ছে। আড়তদাররা আবার দোষ চাপাচ্ছে আমদানিকারক ও উৎপাদনকারীর ওপর। কেউই দায় নিতে রাজি নয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মজুত থাকার পরও দাম বৃদ্ধির বিষয়টি রহস্যজনক। তবে অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ দ্রব্যের কৃত্রিম সংকট। তাই নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও অভিযান পরিচালনা জরুরি, যাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে। সরকার বাজার তদারকির কথা বললেও অজানা কারণে বাজার অনিয়মের গণ্ডিমুক্ত হচ্ছে না।

শিক্ষার্থী, জয়নাল হাজারী কলেজ, ফেনী

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৭১৪০৮০৩৭৮ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com