ঘূর্ণিঝড় আসানি: কক্সবাজারে প্রস্তুত ৫৭৬ আশ্রয়কেন্দ্র

প্রকাশ: ১০ মে ২২ । ১৮:১০ | আপডেট: ১০ মে ২২ । ২২:৪৬

কক্সবাজার অফিস

পর্যটকদের সতর্কতায় লাল পতাকা তোলা হয়েছে সমুদ্র সৈকতে, ছবি: সমকাল

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় আসানির প্রভাবে কক্সবাজারের সমুদ্র উপকূল উত্তাল রয়েছে। দুইদিন ধরে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। মাছ ধরার সব ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি নিরাপদে অবস্থান করতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে পর্যটকদেরও।

ঈদের ছুটির পর কক্সবাজারে এখনও প্রচুর পর্যটক অবস্থান করছে। সৈকতে আসা পর্যটকদের গোসল করতে বিভিন্ন সতর্ক বার্তা দিয়ে জেলা প্রশাসন ও ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। সৈকতে আছড়ে পড়ছে বিশাল ঢেউ। এই অবস্থায় সাগরে গোসল করতে নামা নিরাপদ নয় বলে লাল পতাকা তোলা হয়েছে। পর্যটকদের সামলাতে সৈকতে লাইফ গার্ড কর্মীরাও বাঁশি দিয়ে সকর্ত করছেন।

এদিকে কক্সবাজারে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঘূর্ণিঝড় আসানির প্রভাবে সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে সোমবার সকালে।

জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানিয়েছেন সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার ৫৭৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক টিম, রেডক্রিসেন্ট, স্কাউট, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তৎপর রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবার, সুপেয় পানি মজুদ রাখা, উপকূলীয় এলাকার মানুষদের নিরাপদ স্থানে আনার বিষয়ে পূর্ব প্রস্তুতিসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সুফিয়ান জানান, এ মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড় আসানি কক্সবাজারের জন্য বিপজ্জনক নয়। এরপরও কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সবাইকে নিয়ে একটি সমন্বয় সভা করেছে। সভায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কক্সবাজারে কয়েক হাজার পর্যটক অবস্থান করছে। পর্যটকরা যাতে সৈকতে বিপজ্জনকভাবে গোসল না করেন সে ব্যাপারে সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম রেজা বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত রয়েছে। ফলে পর্যটকরা যেন সৈকতের পানিতে নেমে গোসল কিংবা ওয়াটার বাইক না চালান এ বিষয়ে সতর্ক করে মাইকিং করা হচ্ছে।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. তানজির সাইফ আহমেদ বলেন, জেলায় কোনো বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ নেই। জেলায় প্রায় ৪০০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো মেরামত করা হয়েছে।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com