বীমা ও বস্ত্র ছাড়া সব খাতে পতন

প্রকাশ: ১১ মে ২২ । ০৯:৫৫ | আপডেট: ১১ মে ২২ । ০৯:৫৫

সমকাল প্রতিবেদক

প্রতীকী ছবি

সপ্তাহের প্রথম দুই কার্যদিবসে প্রায় ৫৫ পয়েন্ট বৃদ্ধির পর গতকাল মঙ্গলবার ৩২ পয়েন্ট হারিয়েছে শেয়ারবাজারের প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স। বীমা, বস্ত্র ও পাট ছাড়া বাকি সব খাতের অধিকাংশ শেয়ারের দর কমেছে। তবে লেনদেন বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত আছে। গতকাল ডিএসইতে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে।

প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইতে কেনাবেচা হওয়া ৩৮০ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১৩০টির দর বেড়েছে, কমেছে ২০৫টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪৫টির দর। যদিও লেনদেনের শুরু থেকে প্রথম তিন ঘণ্টা বেশিরভাগ শেয়ারদর বেড়েছিল। শেষ দেড় ঘণ্টায় অনেক শেয়ার ক্রমাগত দর হারায়, যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।

বড় খাতের মধ্যে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের সর্বাধিক ১ শতাংশ পতন হয়েছে। এ খাতের ২৩ কোম্পানির মধ্যে ১৮টিরই পতন হয়েছে। এ ছাড়া বস্ত্র খাতের ২১ কোম্পানির মধ্যে ১৭টির দরপতনে এ খাতের সার্বিক দর কমেছে পৌনে ১ শতাংশ। ছোট খাতের মধ্যে কাগজ ও ছাপাখানা খাতের ছয় কোম্পানির মধ্যে পাঁচটির পতন হয়েছে। গড়ে এ খাতের পতন হয়েছে ৪ শতাংশের বেশি। তথ্যপ্রযুক্তি এবং সেবা ও নির্মাণ খাতের দরও ২ শতাংশের ওপর পতন হয়েছে। বিপরীতে বীমা খাতের ৫২ শেয়ারের মধ্যে ৩৪টির দর বেড়েছে এবং কমেছে ১৬টির। এ ছাড়া বস্ত্র খাতের ৫৮ শেয়ারের মধ্যে ৩২টির দর বেড়েছে, কমেছে ১৮টির। রপ্তানি প্রণোদনা পাওয়ার শর্ত শিথিল করে স্থানীয় মূল্য সংযোজন ২০ শতাংশ করার সরকারি সিদ্ধান্তের খবরে এ দর বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

শেয়ারদরে নিম্নমুখী ধারার প্রভাবে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ৩২ পয়েন্ট হারিয়ে ৬৬৬৫ পয়েন্টে নেমেছে। নিম্নমুখী ধারার মধ্যেও কিছু শেয়ারের উল্লেখযোগ্য দর বেড়েছে। অন্তত ছয় কোম্পানির শেয়ার সার্কিট ব্রেকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ দরে কেনাবেচা হয়। এগুলো হলো- এসিআই ফর্মুলেশনস, বঙ্গজ, ঢাকা ডাইং, ন্যাশনাল ফিড মিলস, এনভয় টেক্সটাইল এবং তাকাফুল ইন্স্যুরেন্স। প্রথম পাঁচ শেয়ারের দর সাড়ে ৯ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। শেষটির দর বেড়েছে সাড়ে ৭ শতাংশ। এর বাইরে সোনারগাঁ টেক্সটাইল, জিএসপি ফাইন্যান্স, আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং, রিং শাইন টেক্সটাইল এবং ড্রাগন সোয়েটারের দর ৫ থেকে ৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

গতকাল অন্তত ১০ কোম্পানির শেয়ার দিনের সার্কিট ব্রেকার নির্ধারিত সর্বনিম্ন দরে কেনাবেচা হয়। শেষ পর্যন্ত ওই দরে স্থির ছিল ইমাম বাটন, জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট এবং সাভার রিফ্যাক্টরিজ। লেনদেনের মাঝে এমন দরে কেনাবেচা হওয়া শেয়ারগুলো হলো- বিআইএফসি, ইস্টার্ন হাউজিং, মেঘনা পেট, বাংলাদেশ মনোস্পুল পেপার, ন্যাশনাল পলিমার, সী পার্ল হোটেল ও সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ।

সর্বাধিক প্রায় ৩৭ কোটি টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে বেক্সিমকো লিমিটেডের। ৩০ থেকে পৌনে ৩৭ কোটি টাকার লেনদেন নিয়ে এর পরের অবস্থানে ছিল জেএমআই হসপিটাল রিক্যুইজিট, শাইনপুকুর সিরামিক্স, ইস্টার্ন হাউজিং, ইউনিক হোটেল ও আইপিডিসি। একক খাত হিসেবে বস্ত্র খাতের লেনদেন ১১৭ কোটি টাকা বেড়ে প্রায় ২১৯ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা মোটের ১৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com