আবদুল গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে কানাডায় প্রবাসীদের শোক

প্রকাশ: ২২ মে ২২ । ০৯:৪২ | আপডেট: ২২ মে ২২ । ০৯:৪২

কানাডা প্রতিনিধি

একুশের গানের রচয়িতা, প্রখ্যাত সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন কানাডা প্রবাসী বাঙালিরা। 

শোক বিবৃতিতে তারা বলেছেন, আব্দুল গাফফার চৌধুরী আজীবন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে আপোষহীন থেকেছেন। বাঙালি জাতি একজন প্রগতিশীল-সুজনশীল লেখক-বুদ্ধিজীবীকে হারালো-যা কখনও পূরণ হওয়ার নয়। 

কানাডার নতুন দেশ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক শওগাত আলী সাগর বলেন, আবদুল গাফফার চৌধুরী স্বাধীনতার মূল্যবোধ এবং বাংলাদেশ বিরোধীদের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সদা জাগ্রত অতন্ত্র প্রহরীর ভূমিকায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। প্রবাসে থেকেও নিজের লেখনীর মাধ্যমে তিনি মুক্তবুদ্ধি এবং প্রগতিশীল আন্দোলনের স্বপক্ষে জনমত গড়ে তুলেছেন। তার মৃত্যুতে দেশের যে ক্ষতি হয়েছে তা কোনোভাবেই পূরণ হবার নয়।

ক্যালগেরির এবিএম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ বাতেন বলেন, তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ সৃজনশীল ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষকে হারাল। 

বিশিষ্ট কলামিস্ট উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মো. মাহমুদ হাসান বলেন, নিপীড়িতদের আশ্রয়স্থল কলম সৈনিক গাফফার চৌধুরীর চিরবিদায় জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ প্রশ্নে এমন নির্ভীক, নিঃস্বার্থ, স্পষ্টবাদী লেখক ও সময়ের শ্রেষ্ঠ কিংবদন্তি আপোষহীন কলম সৈনিকের জীবনাবসান, বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশের জন্য অপূরনীয় ক্ষতি। শাসক কূলের অনিয়ম, অনাচারে পরম ভালোবাসার দল এবং সরকারকেও তিনি ছাড় দেননি। 

অন্টারিও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিটন মাসুদ বলেন, কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’র মধ্য দিয়ে তিনি বেঁচে থাকবেন বাঙালি জাতির মাঝে।

সিবিএনএ২৪ এর প্রধান সম্পাদক সাদেরা সুজন বলেন, তিনি বেঁচে থাকবেন আমাদের হৃদয়ে।

ক্যালগেরীর প্রবাসী লেখক বায়াজিদ গালিব বলেন, কালের সাক্ষী ছিলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। 


© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৭১৪০৮০৩৭৮ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com