শ্রীলঙ্কার দৃঢ় ব্যাটিং, তবু লাগাম মুমিনুলদের হাতে

প্রকাশ: ২৪ মে ২২ । ১৮:১১ | আপডেট: ২৪ মে ২২ । ১৮:১৭

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ছবি: এএফপি

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসটা আক্ষেপেই শেষ হলো। আক্ষেপ দলীয় চারশ’র চেয়ে মুশফিক সঙ্গীর অভাবে ডাবল সেঞ্চুরির না পাওয়ায় বেশি। মুশি-লিটনের দুর্দান্ত কামব্যাকের গল্পে সামান্য অপূর্ণতা থেকে গেল। এরপর প্রথম ইনিংসে দৃঢ় শুরু পেয়েছে শ্রীলঙ্কা। তবে শেষ বেলায় দুই উইকেট নিয়ে লাগাম হাতে রেখেছে বাংলাদেশ। 

ঢাকা টেস্টে দ্বিতীয় দিন শেষে শ্রীলঙ্কা ৪৬ ওভার ব্যাট করে ২ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান তুলেছে। তৃতীয় দিন শুরু করবেন ৭০ রানে অপরাজিত থাকা লঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। তার সঙ্গী হবেন নাইট ওয়াচম্যান কাসুন রাজিথা (০*)। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২২২ রানে এগিয়ে আছে। 

কাঁটা হয়ে টিকে আছেন লঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। ছবি: এএফপি

সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ২৪ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সেখান থেকে ৩৬৫ রান তোলে স্বাগতিকরা। লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম অসাধারণ জুটি গড়েন। তাদের জুটি থেকে আসে ২৭২ রান। ২৫ রানের মধ্যে ৫ উইকেট পড়ার পরে বিশ্বসেরা জুটি গড়েন। ষষ্ঠ উইকেটে গড়েন দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের জুটি। এছাড়া যেকোন উইকেটে দেশসেরা চতুর্থ সর্বোচ্চ রানের জুটি দেন।

ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে প্রথম দিন লিটন দাস এবং মুশফিকুর রহিম সেঞ্চুরি তুলে নেন। ক্যারিয়ার সেরা ১৩৫ রানে দ্বিতীয় দিন শুরু করে লিটন ফিরে যান ১৪১ রানে। একই ওভারে শূন্য করে ফিরে যান মোসাদ্দেক হোসেন। আগের দিন ১১৫ রান করা মুশি তখন দেড়শ’ রান পাননি। তাইজুল তাকে সঙ্গ দেওয়ায় রান বাড়িয়ে নিচ্ছিলেন দেশ সেরা টেস্ট ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত সঙ্গীর অভাবে ১৭৫ রানে অপরাজিত থাকতে হয় তার।  

সঙ্গীর অভাবে ১৭৫ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন মুশফিক। ছবি: এএফপি

স্বাগতিকদের বড় রানের জবাবে ঝড়ো শুরু করে শ্রীলঙ্কা। কোন উইকেট না হারিয়ে একশ’ ছোঁয়া রান করে ফেলে। এরপর ওসাদে ফার্নান্দো ৫৭ রান করে এবাদত হোসেনের বলে ফিরে যান। তিনবার জীবন পাওয়া লঙ্কান ওপেনার স্লিপে ক্যাচ দেন। দিন শেষ হওয়ার একটু আগে সাকিবের ফাঁদে পা দিয়ে লেগ বিফোর হন কুশল মেন্ডিস (৮)। 

মুশফিক-লিটনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের দিনে মিরপুরের ফ্ল্যাট এবং স্পিন সহায়ক উইকেটে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন দুই লঙ্কান পেসার কাসুন রাজিথা এবং আসিথা ফার্নান্দো। তারা বাংলাদেশের ৯ উইকেট তুলে নিয়েছেন। এর মধ্যে রাজিথা নেন পাঁচ উইকেট। মিরপুরে আট বছরের মধ্যে দ্বিতীয় পেসার হিসেবে ফাইফারের রেকর্ড গড়েন। এবাদত রান আউট না হলে শ্রীলঙ্কার প্রথম পেস জুটি হয়ে দশ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডও করেই ফেলতেন।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৭১৪০৮০৩৭৮ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com