টেক্সাসের স্কুলে হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রশ্নের মুখে পুলিশ

প্রকাশ: ২৮ মে ২২ । ০১:৫৪ | আপডেট: ২৮ মে ২২ । ০১:৫৪

অনলাইন ডেস্ক

ছবি: এপি

টেক্সাসের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বন্দুকধারী খোলা একটি দরজা দিয়ে বিনা বাধায় স্কুলে ঢুকে ১৯ শিশু ও দুই শিক্ষককে হত্যা করে। একটি শ্রেণিকক্ষে এক ঘণ্টা ধরে আটকে রেখে হত্যাযজ্ঞ চালায়। এসব নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে টেক্সাসের পুলিশ। যদিও পুলিশের ভাষ্য, তাদের একটি বিশেষ টিম সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে মেরে ফেলেছে। খবর এএফপি ও রয়টার্সের।

মঙ্গলবারের নির্বিচার গুলিবর্ষণের ঘটনার বিষয়ে টেক্সাস ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক সেইফটি (ডিপিএস) থেকে আসা সর্বশেষ বিস্তারিত দাপ্তরিক বিবরণের সঙ্গে বৃহস্পতিবার দেওয়া পুলিশের ভাষ্যের মিল পাওয়া যাচ্ছে না, এতে ওই প্রাথমিক স্কুলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইন প্রয়োগকারীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

টেক্সাসের সান আন্তোনিও শহর থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউভালডের ওই স্কুল এলাকাটিতে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী নিরাপত্তার পূর্বসতর্কতা হিসেবে সব প্রবেশপথ ও শ্রেণিকক্ষের দরজা তালাবদ্ধ করে রাখতে হয়।

কিন্তু এক শিক্ষার্থী বলেছে, গুলিবর্ষণের ঘটনার দিন পুরস্কার প্রদানের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রবেশ করতে দিতে কিছু দরজা খোলা রাখা হয়েছিল।

বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে রব এলিমেন্টারি স্কুলে হামলা চলাকালে বাইরে ধৈর্যহারা অভিভাবকদের দেখা গেছে, তারা পুলিশ কর্মকর্তাদের ভবনটিতে অভিযান চালানোর জন্য অনুরোধ করছিলেন। এসব ভিডিও প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর ঘটনার নতুন বিস্তারিত ক্রমপঞ্জি আসে।

এদিকে গুলির ঘটনায় নিহতদের একজন ছিলেন ওই স্কুলের শিক্ষক ইরমা গার্সিয়া। স্ত্রীর মৃত্যুর শোক সইতে পারলেন না স্বামী জো গার্সিয়া। ইরমার মৃত্যুর দু'দিন পর চিরতরে থেমে গেল তার হৃদযন্ত্র।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানা গেছে, 'হার্ট অ্যাটাক' হয়েছিল জো গার্সিয়ার। বৃহস্পতিবার এক টুইটে তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেন ইরমার ভাইপো জন মার্টিনেজ লিখেছেন, স্ত্রীকে হারানোর কষ্টই জো গার্সিয়ার মৃত্যু ডেকে এনেছে। এই শোক প্রকাশের ভাষা তাদের নেই।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৭১৪০৮০৩৭৮ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com