সেই রাতে কেন ছুরি কিনলেন বারী

প্রকাশ: ২৮ জুন ২২ । ০০:০০ | আপডেট: ২৮ জুন ২২ । ১২:১৭ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিশেষ প্রতিনিধি

ফাইল ছবি

বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসি নিউজের সিনিয়র প্রোডাকশন এক্সিকিউটিভ আব্দুল বারীর (২৭) মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নতুন কিছু তথ্য গোয়েন্দাদের সামনে আসছে। সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্নেষণ, প্রযুক্তিগত তদন্ত ছাড়াও বারীর ব্যক্তিগত জীবন ও পরিচিতদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের চুলচেরা বিশ্নেষণ করা হচ্ছে। সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গেছে, ঘটনার রাতে বাসা থেকে বের হয়েই গুলশান এলাকার একটি দোকান থেকে ছুরি কিনেছিলেন তিনি। কেন, কী কারণে তিনি ওই রাতে ছুরি কিনলেন, তার হিসাব এখনও স্পষ্টভাবে মেলাতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র থেকে গতকাল এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

গত ৮ জুন গুলশানের পুলিশ প্লাজার উল্টো পাশে হাতিরঝিল লেকপাড়ের সুনসান এলাকা থেকে বারীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় নিহতের পরিবার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে গুলশান থানায় মামলা করে। মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি। এ ছাড়া পুলিশের আরও একাধিক সংস্থা এই মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে ছায়া তদন্ত করছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, প্রায় নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করতেন বারী। কারও সঙ্গে তেমন একটা মিশতেন না। কথাও বলতেন কম। এ ছাড়া তাঁর নানা ধরনের শারীরিক সমস্যাও ছিল। বারী চাকরি ও বাসা ছেড়ে দেওয়ার নোটিশও দিয়েছিলেন।

বারীর ভাই আব্দুল আলীম সমকালকে বলেন, ৫-৬ মাস ধরে বারীর মধ্যে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করছিলাম। বাড়ির কাউকে তেমন ফোন করত না। শুধু বলত, তার প্রচণ্ড মাথা ব্যথা ও চোখে সমস্যা। তার কোনো কিছু ভালো লাগছে না- এসব বলত।

রাজধানীর মহাখালীর নিজ কর্মস্থলের অদূরে একটি মেসে বসবাস করতেন বারী। সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গেছে, রাত পৌনে ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হন তিনি। এরপর একটি দোকান থেকে ছুরি কেনেন। ওই ছুরি পকেটে নিয়ে ধীরে ধীরে হেঁটে হেঁটে লেকপাড়ে যান। বারীর গলা ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল। মরদেহের পাশ থেকে রক্তমাখা ছুরি, মানিব্যাগ এবং মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তার পরনে থাকা চেক শার্ট ও প্যান্ট কিছুটা ভেজা ছিল।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৭১৪০৮০৩৭৮ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com