সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের নতুন কমিটি ঘোষণা

প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২২ । ১০:২১ | আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২২ । ১০:২১

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (মার্কসবাদী) ১৮ সদস্য বিশিষ্ট ১৯তম কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হয়েছেন সালমান সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন রাফিকুজ্জামান ফরিদ।

বুধবার বিকেলে টিএসসি অডিটোরিয়ামে আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে সংগঠনের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক অরূপ দাশ শ্যামের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কমিটির অন্যরা হলেন- সহসভাপতি সঞ্জয় কান্ত দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রগতি বর্মণ তমা, দপ্তর সম্পাদক অরূপ দাশ শ্যাম, অর্থ সম্পাদক নওশীন মুশতারী সাথী, প্রচার-প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক, সাদেকুল ইসলাম সাদিক, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক দীপা মজুমদার, শিক্ষা ও বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক গৌতম ঈশান কর, সদস্য পরমানন্দ দাশ, আরিফুল হাসান, নয়ন পাশা, সায়মা আফরোজ, রিপা মজুমদার, পংকজনাথ সূর্য, তানজিলা রিতু, রিফা সাজিদা, সাজু বাসফোর।

এর আগে বুধবার সকালে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে সংগঠনের ৬ষ্ঠ কেন্দ্রীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. তানজীমউদ্দিন খান, বাসদের (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক কমরেড মাসুদ রানা। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য ও পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ শাহরিয়ার।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষার অধিকার এবং শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ইতিহাস অনেক দীর্ঘ। কিন্তু সমস্ত লড়াইকে ভূলুণ্ঠিত করে শাসক শ্রেণির চক্রান্তে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ এবং বেসরকারিকরণ বেড়েই চলেছে। শিক্ষার অধিকার গণতান্ত্রিক এবং রাষ্ট্র তা নিশ্চিত করবে। অথচ বাস্তব পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা এখন কেনা-বেচার পণ্য। শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্য এবং প্রশ্ন ফাঁস, কোচিং বাণিজ্যে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত। বিশ্বব্যাংকের পরামর্শে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা, সিলেবাস, গবেষণা সবকিছুকেই বাণিজ্যিক তৎপরতায় আনা হচ্ছে। শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ আজ সমাজ-রাজনীতি-অর্থনীতিকে আক্রান্ত করছে। ছাত্রলীগ ও প্রশাসনের মদদে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোকে নির্যাতনের কারখানায় পরিণত করা হয়েছে।

ড. তানজিমউদ্দীন খান বলেন, সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের যে ভয়াবহ হামলা- তা প্রমাণ করে ক্যাম্পাসগুলোতে শিক্ষার্থীরা কতটা অনিরাপদ। অথচ, উপাচার্য বললেন, এই ধরনের কোনো ঘটনা তিনি জানেন না।

বাসদ (মার্কসবাদী)-এর সমন্বয়ক কমরেড মাসুদ রানা বলেন, এই রাষ্ট্রে মানুষ নিরাপদ নয়। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দিয়ে মানুষের কণ্ঠ রোধ করা হচ্ছে। সামনে জাতীয় নির্বাচন; সরকার চেষ্টা করছে ক্ষমতা দখলের। কিন্তু এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন অসম্ভব। তাই আমাদের দলের পক্ষ থেকে দাবি, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২৩

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৭১৪০৮০৩৭৮ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com