মৃত্যু সংবাদই যেন এখন নিউইয়র্ক শহরে বাংলাদেশিদের ললাট লিখন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারো মৃত্যু সংবাদ শুনে ঘুমাতে যাচ্ছেন তারা। আবার ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন পরিচিত বা অপরিচিত কারো মৃত্যু সংবাদ শুনতে হচ্ছে তাদের।

করোনায় বিশ্বের যেকোন শহরের চেয়ে বেশি মৃত্যু হচ্ছে নিউইয়র্কে। দিনের শেষেই ৬ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হল।

এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মিশিগান ও ভার্জিনিয়া রাজ্যেও একজন করে বাংলাদেশি মারা গেছেন।

৩০ দিনে নিউইয়র্কে করোনা প্রাণ কেড়ে নিয়েছে ১৪০ বাংলাদেশির। আজকের একজন নিয়ে মিশিগানে মৃত্যর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ জনে, নতুন করে আরেকটি মৃত্যু ভার্জিনিয়ায় মৃতের সংখ্যা এখন ২ জন। আর নিউজার্সিতে ৬ জন ও মেরিল্যান্ডে একজনকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় বাংলাদেশিদের মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১৫৪।

নিউইয়র্কে আজ যারা মারা গেছেন তারা হলেন- ওজন পার্কের রউফ আহমেদ (৬৫), তাজুল ইসলাম (৫২), আব্দুল জলিল, মোহাম্মদ আব্দুল হক অতুল ও ব্রঙ্কসের বাসিন্দা আবু তাহের (৮৩)।

ভার্জিনিয়া রাজ্যের উডব্রিজ সিটিতে মারা গেছেন ফরিদ উদ্দিন (৬২)।

আর মিশিগানে মারা গেছেন দেওয়ান আব্দুল চৌধুরী। অবশ্য তার পরিবার বলছে তিনি করোনায় মারা যাননি।

এদিকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে ভেল্টিলেশনে রয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার ফজলু। নিউইয়র্কের রাজধানী আলবেনীতে করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর আঞ্জুম আরা বেগম( ৭৬)।

এদিকে করোনায় মৃত্যুর পাশাপাশি আক্রান্ত অনেকের সুস্থ হবার খবরে কমিউনিটিতে কিছু স্বস্তিও দেখা যাচ্ছে। হোম কোরেন্টাইন ও সেলফ আইসোলেশনের নিয়ম-নীতি মেনে সুস্থ হয়েছেন নিউইয়র্কে ডিপার্টমেন্ট ট্রান্সপোর্টেশনের ব্রীজ এন্ড ট্যানেলের প্রকৌশলী লং আইল্যান্ডের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম, নিউইয়র্ক ফায়ার ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি ইন্সপেক্টর প্রকৌশলী বেলাল হোসেন ও নিউইয়র্ক পুলিশের ট্রাফিক সুপারভাইজার দিলরুবা সরকারসহ আরো অনেকেই।