কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সীমানা পুনরায় চালু করতে তাড়াহুড়ো করবে না কানাডা। 

সীমান্তের উভয় প্রান্তে ভ্যাকসিন কর্মসূচি বৃদ্ধি পাওয়ায় সীমানা পুনরায় খোলার জোর দাবি উঠেছে। হোয়াইট হাউস গত সপ্তাহে বলেছে, কানাডার সীমানা কখন বা কীভাবে পুনরায় চালু করা যায় তা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তবে ব্যবসায়িক দল এবং আইন প্রণেতাসহ ভারমন্ট গভর্নস, ফিল স্কট এবং নিউইয়র্ক রেপ ব্রায়ান হিগিন্স উভয় দেশকে একটি পরিকল্পনা নিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার অটোয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রুডো বলেন, অনেক লোক সীমান্ত পুনরায় খুলতে আগ্রহী হওয়ার পরেও যে কোনো বিধিনিষেধকে সতর্কতার সঙ্গে সহজতর করা এবং কানাডিয়ানদের সুরক্ষার কথা মাথায় রাখা দরকার। 

তিনি আরও বলেন, আমরা সঠিক পথে আছি, তবে আমরা কানাডিয়ানদের স্বার্থের ভিত্তিতে আমাদের সিদ্ধান্ত নেব এবং অন্যান্য দেশ যা চায় তার ভিত্তিতে নয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের মার্চ মাস থেকে কানাডায় করোনাভাইরাস শনাক্তের পর থেকেই দেশটির নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল রাখতে কানাডা সরকারের উদ্যোগ ইতোমধ্যেই সারাবিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে।

বিশিষ্ট কলামিস্ট, উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মো. মাহমুদ হাসান বলেন, দ্রুত গতিতে ভ্যাক্সিনেশন আর কোভিড-১৯ এর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ব্যতীত অন্য কোনো বিকল্প পথ যে খোলা নেই, দ্রুত কোভিড পরিস্থিতির উন্নয়ন সে কথাটিই প্রমাণ করে। জীবন-জীবিকার উন্নয়ন আর দীর্ঘ শিক্ষাবিরতি সামাজিক ও মনোজাগতিক ক্ষেত্রে যে প্রতিকূল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে তা থেকে উত্তরণে সঠিক পথেই এগিয়ে যাচ্ছে জাস্টিন ট্রুডোর সরকার।

অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড জিও সাইন্টিস্ট অফ আলবার্টার ক্যালগেরি শাখার কোষাধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোহাম্মদ কাদির বলেন, করোনা শুরুর প্রথম থেকেই ট্রুডো সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপই ছিল প্রশংসিত। নাগরিকদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন প্রণোদনাও প্রশংসার দাবি রাখে। 

মন্তব্য করুন