৬৫ বছরের বেশি বয়স্ক ও উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের জন্য বুস্টার ডোজ হিসেবে  ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা সুপারিশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)।

এফডিএর উপদেষ্টা পরিষদ বলেছে, টিকাপ্রাপ্ত প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের বুস্টার ডোজ দিতে ফাইজার যে দাবি জানিয়েছিল, তার সপক্ষে তারা কোনো যুক্তি খুঁজে পাননি।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফাইজারের দুই ডোজ নেওয়ার অন্তত ছয় মাস পর ৬৫ বছর বা এর বেশি বয়সী ব্যক্তিদের বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে।

তবে টিকার দুই ডোজ সম্পন্ন করা সবার বুস্টার ডোজ নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও জানিয়েছে এফডিএ। 

এফডিএ বলছে, দুই ডোজ নেওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার অনেকটাই কমে আসবে বা আক্রান্ত হলেও তা খুব বেশি ক্ষতি করতে পারবে না।

তরুণদের জন্য তৃতীয় ডোজ কার্যকরী হতে পারে এমন গুজবকে উড়িয়ে দিয়ে এফডিএ বলছে, টিকার তৃতীয় ডোজ নেওয়ার পর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হবেন না- এমন বলাটা অযৌক্তিক।

এফডিএর পরামর্শক কমিটির সদস্য ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের কর্মকর্তা মিশেল জি কুরিল্লা নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেন, ‘সবারই যে বুস্টার ডোজ নিতে হবে এমন কোনো কথা নেই। নাগরিকদের মধ্যে যারা বিভিন্ন অসুখে মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছেন কেবল তাদের জন্যই  বুস্টার ডোজের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

যুক্তরাষ্ট্রের লাখো বয়োবৃদ্ধের মধ্যে কারা উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছেন তা নির্ধারণ করতে এখন হোয়াইট হাউজের দিকে তাকিয়ে আছে এফডিএ।

এফডিএ সদস্যরা বুস্টার ডোজের জন্য স্বাস্থ্যসেবা কর্মী, জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মী ও শিক্ষকদেরও অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবনা এনেছেন।