'বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের পরে বই নিয়ে বাঙালির সবচেয়ে বড় আয়োজন নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলা। এ মেলাকে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের ক্যালেন্ডারের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সরকারের কাছে আমরা প্রস্তাব করব।' কথাগুলো বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাবিহা পারভীনের। তার নেতৃত্বে বইমেলায় বাংলাদেশ সরকারের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করে।  

নিউইয়র্কে ৩০ বছরের বাংলা বইমেলা শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় ৩১ অক্টোবর জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে। সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক কবি মিনার মনসুর ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. ললিতা বর্মণ। 

মিনার মনসুর বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, বাংলা একাডেমি, শিশু একাডেমি, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও শিল্পকলা একাডেমি যাতে এ মেলার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে, মেলায় অংশ নিতে পারে সে ব্যাপারে আমরা সরকারের কাছে সুপারিশ করব। 

ড. ললিতা বর্মণ বলেন, এই দূর প্রবাসে বইমেলার মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সম্প্রসারিত হচ্ছে। বাংলাদেশের বইমেলার মতই অনুভব হয়েছে আমার। এ যেন আরেক বাংলাদেশ।

আয়োজক সংগঠন মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও বিশ্বজিত সাহা বইমেলা সম্পর্কে বলেন, ৩০ বছর ধরে আমরা বেসরকারিভাবে নিজেদের চেষ্টায় এই মেলা করে যাচ্ছি। বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা পেলে প্রবাসে বাঙালির এই বইমেলা পূর্ণতর হবে।