ঢাকা-টরন্টো সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনায় বিশ্বে বাংলাদেশ বিমানের পরিচিতি বেড়েছে। পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামাল। সমকালকে তিনি বলেন, ঢাকা-টরন্টো সরাসরি ফ্লাইটে খরচ বেশি হলেও এই ফ্লাইটের কারণে বিশ্বে বিমানের অবস্থান দ্বিতীয় সারিতে উন্নীত হয়েছে। কানাডার শর্ত অনুযায়ী, ফ্লাইট পরিচালনায় সক্ষম হয়েছে বিমান। আগামী জুন থেকে ঢাকা-টরন্টো নিয়মিত বিমানের ফ্লাইট শুরু হবে।

সরাসরি এই ফ্লাইটের বিষয়ে সিইও আরও জানান, ঢাকা-টরন্টো ফ্লাইট পরিচালনায় শুধু ফুয়েল (তেল) নেওয়ার জন্য মাঝপথে কোনো একটি দেশে অবতরণ করবে বিমান। ফুয়েল নিয়ে সেখান থেকে সরাসরি গন্তব্যে পৌঁছবে ফ্লাইটটি।

বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বিমানের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, আন্তর্জাতিক নতুন নতুন রুটে বিমানের ফ্লাইট বাড়ছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালু হবে। এরই মধ্যে বিদেশি একটি পর্যবেক্ষক টিম হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছে। এ ছাড়া নারিতা, মালে, সিডনি, চেন্নাই ও কলম্বো রুটেও ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করছে বিমান।

গত ২৬ মার্চ ঢাকা-টরন্টো পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনা করে বাংলাদেশ বিমান। ওই ফ্লাইটটি পরিচালনায় প্রায় চার কোটি টাকা খরচ হয় বিমানের। ফ্লাইটটিতে টিকিটধারী যাত্রীর তুলনায় পর্যবেক্ষক নামে বেসামরিক বিমান ও মন্ত্রণালয়, বিমান সংসদীয় কমিটি, বিমান পরিচালনা পর্ষদ বোর্ড, বেসামরিক বিমান চলাচল (বেবিচক), সংবাদকর্মী ও সংশ্নিষ্ট বিভিন্ন শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বেশি ছিলেন।