ভারতের নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে এবং কলকাতায় উপহাইকমিশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে।

সোমবার দিনভর বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করেন হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দেশটিতে থাকা বাংলাদেশিরা।

বাসস জানায়, সকালে নয়াদিল্লির চ্যান্সারি প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইমরানসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। চ্যান্সারিতে বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় শোক দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য পাঠ করা হয়।

এ ছাড়া ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুসহ অন্য শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং বাংলাদেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। বঙ্গবন্ধুর ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

এদিকে, কলকাতায় উপহাইকমিশনে সকাল ৮টায় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয়। উপহাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরে 'মুজিব চিরঞ্জীব' মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত কলকাতার ইসলামিয়া কলেজের (বর্তমান মৌলানা আজাদ কলেজ) বেকার হোস্টেলে তাঁর কক্ষে স্থাপিত আবক্ষ মূর্তিতেও ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এ ছাড়া জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের আত্মার শান্তি কামনায় মোনাজাত এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। দুপুরে হাইকমিশনের উদ্যোগে এতিমখানার শিশুদের মধ্যাহ্ন ভোজ এবং দোয়ার আয়োজন করা হয়। আর সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ গ্যালারিতে বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও আলোচনা সভা হয়।

এ ছাড়া মুম্বাইতে বাংলাদেশ উপহাইকমিশন এবং আসামের গৌহাটি ও ত্রিপুরার আগরতলায় সহকারী হাইকমিশনেও বিভিন্ন আয়োজন করা হয়।