বগুড়ায় জাপার সাবেক চিফ হুইপসহ ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০১৯     আপডেট: ২৫ জুন ২০১৯      

বগুড়া ব্যুরো

ভোটকেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন নারী ভোটাররা (ফাইল ছবি)

বগুড়া-৬ (সদর) শূন্য আসনে নির্বাচনে প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জাতীয় সংসদের সাবেক বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব নুরুল ইসলাম ওমরসহ প্রতিদ্বন্দ্বী পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

অন্য প্রার্থীরা হলেন- মুসলিম লীগের মুফতি রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ কংগ্রেসের ড. মনসুর রহমান এবং দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী মিনহাজ মণ্ডল ও সৈয়দ কবির আহমেদ মিঠু। এদের মধ্যে সৈয়দ কবির আহমেদ মিঠু ভোটের ক’দিন আগে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন।

মঙ্গলবার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বগুড়ার সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুব আলম শাহ্ জানান, নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ না পাওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী ওই পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে গেছে। 

জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া সাবেক সংসদ সদস্য জাতীয় পার্টির নেতা নুরুল ইসলাম ওমর ২০১৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বগুড়া-৬ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মনোনীত হন। 

জামানত হারানো প্রার্থীরা

গত ২৪ জুন সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি ৭ হাজার ২৭১ ভোট পান।

ওই নির্বাচনে ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৪৫৮ ভোটারের মধ্যে ৩৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ বা ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭০ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। 

নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ৮৯ হাজার ৭৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত টি জামান নিকেতা পান ৩২ হাজার ২৯৭ ভোট।  

নির্বাচনী বিধিমালা অনুযায়ী, প্রার্থিতার জন্য নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া জামানত ফেরত পেতে প্রার্থীদের প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ বা ১৬ হাজার ৭৩৪ ভোট পেতে হতো। কিন্তু বগুড়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী ৭ প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনই ওই পরিমাণ ভোট পাননি। 

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বগুড়া সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাকির হোসেন জানান, প্রয়োজনীয় ভোট অর্জন করতে না পারায় ওই পাঁচ প্রার্থী জামানত হিসেবে নির্বাচন কমিশনে যে ২০ হাজার টাকা করে জমা দিয়েছিলন তা বাজেয়াপ্ত হয়ে গেছে।

বিষয় : বগুড়া-৬ আসন ভোট জামানত বাজেয়াপ্ত