ট্রেন দুর্ঘটনার পর উল্লাপাড়ার ক্রসিংয়ে অস্থায়ী বাঁশের গেট

প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০১৯      

সিরাজগঞ্জ ও উল্লাপাড়া প্রতিনিধি

উল্লাপাড়ায় রেল ক্রসিংয়ে অস্থায়ী বাঁশের গেট

দুর্ঘটনায় ১১ জনের প্রাণহানির পর অবশেষে ঈশ্বরদী-ঢাকা রেলপথে উল্লাপাড়ার অরক্ষিত লেভেল ক্রসিংয়ে অস্থায়ীভাবে বাঁশের গেট দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে সার্বক্ষণিক অবস্থানের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে একজন গেটকিপারকে। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে পশ্চিম রেলওয়ের পাকশী ডিভিশন থেকে এ বাঁশের গেট লাগানো হয়। 

গত ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় এই ক্রসিংয়ে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর পদ্মা এক্সপ্রেস একটি বিয়ের মাইক্রোবাসকে ধাক্কা দিলে বর কনেসহ উভয়পক্ষের ১১ জনের মৃত্যু হয়। 

এই দুর্ঘটনার পর রেল কর্তৃপক্ষ এখানে অস্থায়ীভাবে বাঁশের গেট বসান এবং ওই স্থানের দু’পাশে রেলপথের প্রায় ৩শ’ মিটার অংশে সমস্ত গাছপালা কেটে ফেলা হয়েছে। 

এই লেভেল ক্রসিংয়ে বিপ্লব কুমার দাসকে গেটকিপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি মাস্টাররোলে চাকরি করেন। সিরাজগঞ্জ কড্ডার মোড়ের লেভেল ক্রসিংয়ের দায়িত্ব পালন করতেন তিনি। তাকে সেখান থেকে সলপ রেল ক্রসিংয়ে আপাতত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিপ্লব জানান, ২৪ ঘণ্টা একা দায়িত্ব পালন করতে তার কষ্ট হবে। তিনি আরেকজন গেটকিপারকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য রেল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান। 

এ ব্যাপারে পশ্চিম রেলওয়ের পাকশী ডিভিশনের বিভাগীয় প্রকৌশলী (ডিইএন) মো. আরিফুল ইসলাম সমকালকে জানান, ঈশ্বরদী-ঢাকা রেলপথে ঈশ্বরদী থেকে সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম অংশে ১৪টি অরক্ষিত লেভেল ক্রসিং রয়েছে। এই মুহূর্তে রেলওয়ের লোকবল খুব কম। মোট ৩০০ জন গেটম্যানের প্রয়োজন। সেখানে তাদের রয়েছে ১১০ জন। ফলে অরক্ষিত ক্রসিংগুলোতে লোক নিয়োগ সম্ভব হয়নি। তবে ১ সপ্তাহের মধ্যে মাস্টাররোলে অস্থায়ী ভিত্তিতে গেটম্যান নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। 

পাকশী ডিভিশনের আওতায় সব অরক্ষিত লেভেল ক্রসিংয়ে অস্থায়ী ভিত্তিতে গেটম্যান নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন বিভাগীয় প্রকৌশলী।