প্রতারণা করে প্রবাসীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ইমো হ্যাকার চক্রের ১২ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার ও বৃহস্পতিবার নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়া এবং রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে নাটোরের পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার লিটন কুমার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইমো হ্যাকার চক্র প্রবাসীদের টার্গেট করে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল। এর আগে তাদের কয়েকজন সদস্যকে আটকও করা হয়। তবে ছাড়া পেয়েই তারা ফের এ কাজে জড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি বেশ কিছু গণমাধ্যমে তাদের প্রতারণার সংবাদ প্রকাশিত হলে নাটোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাইদ পুলিশকে মামলা রেকর্ড করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। ওই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে লালপুর থানার এসআই হাসান তৌফিক বাদী হয়ে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে একটি মামলা করেন। 

মামলা দায়েরের পর পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে লালপুর ও বাগাতিপাড়া এলাকা থেকে ১২ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৮টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। আটকরা হলো লালপুরের গন্ডবিল গ্রামের আমিরুল ইসলাম জনি, অমৃতপাড়া গ্রামের আতিক হাসান, শিপন আলী, সুমন আলী, মহারাজপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম মমিন, মোহরকয়া গ্রামের মো. লালন, পাপ্পু আলী ও বিলমাড়িয়া গ্রামের আলম হোসেন এবং বাগাতিপাড়া উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের সনি আহমেদ, সুরুজ আলী, হারান অর রসিদ ও শিপর আলী।

আটকরা ইমো হ্যাকার ও প্রতারক চক্রের সদস্য। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইমো হ্যাক করে প্রতিদিন প্রবাসীসহ বিভিন্নজনের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল।