রাজশাহীর পুঠিয়ার একটি গ্রামে সোমবার সকালে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত খলিলুর রহমানকে (৭০) আটক করলে খলিলুরসহ তার লোকজন মেয়েটির পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় খলিলুর পালিয়ে যায়। হামলায় আহত পাঁচজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী পরিবার ও অভিযুক্ত উভয়েই ভূমিহীন। তারা গ্রামের সরকারি ঘরে বাস করে। গতকাল সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঘন কুয়াশা ছিল। ঘুম থেকে উঠে ওই কিশোরী বাড়ি থেকে একটু দূরে টয়লেটে যায়। এ সময় অভিযুক্ত খলিলুর রহমান তাকে পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। মেয়েটির চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটিকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে মেয়েটির পরিবার খলিলুরকে আটক করে।

কিশোরীর মা জানান, ঘটনার প্রতিবাদ করায় খলিলুর রহমানের লোকজন তাদের পরিবারের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের মারধরে তার স্বামী ও দেবর গুরুতর আহত হয়েছেন।

পুঠিয়া থানার ওসি সোহরাওয়ার্দী হোসেন বলেন, ধর্ষণ ও হামলার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। তবে আসামি পলাতক রয়েছে। কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।