সাত বছরের প্রেম। সেই দীর্ঘদিনের প্রেম যখন বিয়ে পর্যন্ত গড়ায় তখন অনেক বেগ পেতে হয় উভয়কেই। প্রেমে সফল কিন্তু বিয়ে করতে গেলেই যত বিপত্তি! কেন? এর পেছনে অনেক কারণই থাকতে পারে। সম্ভাব্য কয়েকটি কারণ তুলে ধরা হলো:  

ক্যারিয়ার

সবাই  ছোটবেলা  থেকে কষ্ট করে পড়াশোনা করেন। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে চাওয়ার চাহিদা সকলেরই থাকে। কিন্তু নিজেকে নিয়ে স্বপ্ন কে না দেখে? একটা ভালো চাকরি, স্বপ্নপূরণ, নিজের জীবন- প্রত্যের মানুষের চাহিদার প্যারামিটার কিন্তু আলাদা। অনেক সময়ই হয়েছে প্রেমিক তার নিজের শহর, নিজের পরিবার ছেড়ে বাইরে যেতে নারাজ।এদিকে প্রেমিকা চান, নতুন শহরে নিজের মতো করে নিজেকে গুছিয়ে নিতে। ফলে এখান থেকে দুজনের পথ আলাদা হয়ে হওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

পরিবার পিছুটান নিলে

প্রেমিক-প্রেমিকা একে অপরকে মন দিয়ে ভালোবাসলেও পরিবার যে সবসময় তাদের পাশে থাকে এমনটা নয়। আমাদের সমাজে এখনও একটা ছেলে কিংবা মেয়ের রূপ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে তার শিক্ষাগত যোগ্যতার আগে। সেই সঙ্গে জাত নিয়ে সমস্যা তো আছেই। সময় এগোলেও মানসিকতার পরিবর্তন হয়নি। এমনও অনেকে থাকেন যারা শেষপর্যন্ত শুধুমাত্র পরিবারের কথা ভেবেই সম্পর্ক থেকে পিছিয়ে আসেন।

বিশ্বাসযোগ্যতা

যেকোনও সম্পর্কের মূল ভিত্তি হল বিশ্বাস। আর যদি কোনও কারণে সেই বিশ্বাসে চিড় ধরে তাহলে নতুন করে সেই সম্পর্কে ফেরা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। অকারণে একটা সন্দেহ থেকেই যায়। ফলে সেখানে আর মানিয়ে নেওয়া সম্ভব হয় না।

লং ডিসট্যান্স রিলেশনশিপ

লং ডিসট্যান্স রিলেশনশিপ রক্ষা করা যে একটা চ্যালেঞ্জ, একথা সকলেই স্বীকার করেন। কারণ সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য যতটা কাছাকাছি আসা প্রয়োজন হয়, এক্ষেত্রে তার সুযোগ পাওয়া যায় না। সেই সঙ্গে একটা মানসিক দূরত্বও তৈরি হয়। একে অন্যের প্রতি ভালোবাসাও তৈরি হয় না। যে কারণে খুব কম লং ডিসট্যান্স প্রেমই কিন্তু পরিণতি পায়। 

পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেললে

দীর্ঘদিন প্রেমে অনেক সময়ই ছেলেরা মেয়েদের নিজেদের মতো করেই প্রেমিকাকে চালানোর চেষ্টা করেন। মাঝেমধ্যেই মিথ্যে বলা, প্রেমিকাকে গুরুত্ব না দেওয়া এসব তো থাকেই। সেই সঙ্গে প্রেমিকার তুলনায় অন্যদেরই বেশি সময় দিতে ব্যস্ত থাকেন। আর তাই এসব ক্ষেত্রে অনেক মেয়েই মুখে কিছু না বলে একদম শেষ মুহূর্তে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসেন। তাই এ থেকে মুক্ত হতে হলে একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল অবশ্যই কাম্য। সূত্র: এইসময় 

মন্তব্য করুন