দুটি মানুষের মনের মিল থাকলেই সম্পর্ক তৈরি হয়। কিন্তু দুজনের বৈশিষ্ট্য একরকম নাই হতে পারে। এক্ষেত্রে বোঝাপড়াটা জরুরি। দুজন আলাদা হলেও আপনারা যে একে অপরকে ভালোবাসেন এটাই সম্পর্ক ধরে রাখার একমাত্র কারণ। সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঙ্গী যদি বিপরীত বৈশিষ্ট্যের হয় তাহলে কিছু বিষয় মেনে চলাটা জরুরি। যেমন-

১. আপনি যেটা করতে পছন্দ করেন না, তা আপনার সঙ্গীর খুব প্রিয় হতেই পরে। হয়তো আপনি বই পড়তে পছন্দ করেন না আপনার সঙ্গীর আবার সেটা বেশ পছন্দের। সেক্ষেত্রে তার ইচ্ছের মর্যাদা দিতে শিখুন। ইচ্ছে না থাকলেও তাকে সঙ্গ দিন। তিনি কি পড়ছেন তা জানতে চান, কখনও বা তাকে পড়ে শোনাতে বলতে পারেন। একান্তই সেই ইচ্ছে না করলে সেখানে বসে নিজের অন্য কাজে করতে পারেন।

২. সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিছুটা স্বাধীনতা থাকা প্রয়োজন। দুজন দুজনের ব্যাপারে নাক গলাবেন না। কারণ এমন করলেই সম্পর্ক তিক্ত হতে শুরু করে। বিপরীত বৈশিষ্ট্যের মানুষটাকে একটু নিজের মতো থাকতে দিন। এতে সম্পর্ক ভালো থাকবে।

৩. সবসময় নিজেদের পার্থক্য না খুঁজে মিলগুলো খুঁজুন। বিপরীত মেরুর মানুষ হলেও কিছু না কিছু মিল তো থাকবেই। প্রয়োজনে আপনার কোনো পছন্দের ব্যাপার তার মতো করে সাজিয়ে নিন। আপনার এই ছোট্ট ত্যাগ সম্পর্ককে জোরালো করবে।

৪. সঙ্গীকে বিশ্বাস করতে শিখুন। কথায় কথায় অসঙ্গতি খুঁজে বের করে তাকে মিথ্যা প্রমাণ করার চেষ্টা ত্যাগ করুন। মনে রাখবেন, সব সম্পর্কের মুল ভিত্তিই হলো বিশ্বাস।

৫. কথায় কথায় সঙ্গীর ভুল খুঁজবেন না। আপনিও ভুল করেন। কিন্তু সঙ্গী কী করে তা মেনে নেয় সেটা দেখুন।

মন্তব্য করুন