প্রেম কিংবা দাম্পত্য, যেকোন সম্পর্কেই ভালোবাসা-পারস্পারিক শ্রদ্ধা থাকা খুবই জরুরি। এসব অনুভভুতির উপর ভর করেই এগিয়ে যায় জীবনের অনেকটা পথ। অনেকেই ভালোবাসার অর্থ হিসেবে দখলদারি বোঝেন। তারা একে অপরের একান্ত ব্যক্তিগত সময়টুকু দিতে চান। তখনই বাড়ে দ্বন্দ্ব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্পর্কে থাকতে গেলে একে অপরকে জেনে নিতেই হবে। তবে জানার অজুহাতে সব ব্যাপারে নাক গলানো একেবারেই ঠিক হবে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল স্পেসের বিষয়টাই অনেকে বুঝতে পারেন না। অনেকেই বুঝতে পারেন না ঠিক কখন থামতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুজনের মধ্যে কথা হওয়া উচিত। এমনকী পরস্পরের সম্বন্ধে ভালো করে জানা দরকার। তবে সম্পর্কে থাকেলই যে একে অপরের ব্যক্তিগত জায়গায় ঢুকে পড়তে হবে, এমনটা ঠিক নয়। এভাবে এক অপরের জীবনে দখলদারি করতে শুরু করলে মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে। একে অপরের সঙ্গে মন কষাকষি হতে পারে। এমনকী সম্পর্ক ভেঙে যাওয়াও সম্ভব। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক ঠিক কেন সঙ্গীর ব্যক্তিগত পরিসরে ঢোকা উচিত হবে না। এর ফলে যেসব সমস্যা দেখা দেয়-

​বোঝাপড়া কমে যায় : দুটি মানুষের বোঝাপড়ার উপরই দাঁড়িয়ে থাকে ভালোবাসা। একে অপরের ব্যক্তিগত পরিসরে ঢুকে পড়লে বড়সড় সমস্যা দেখা দেওয়া খুবই স্বাভাবিক। এমনকী সঙ্গীর মনের থেকেও আপনি দূরে চলে যেতে থাকেন। তাই এই বিষয়টা নিয়ে সতর্ক হতে হবে।

​ভালোবাসা কমে
: বোঝাপড়ায় সমস্যা বাড়তে থাকলে ভালোবাসাও কমে যেতে পারে। এক্ষেত্রে বিচ্ছেদ পর্যন্ত হওয়া সম্ভব। তাই এই বিষয়টি নিয়ে অবশ্যই ভাবতে হবে। তাহলে সম্পর্কে ভালোবাসা ঠিক থাকবে। তাই ভালোবাসার প্রভাব ঠিক রাখতে চাইলে বোঝাপড়াটা জরুরি।

বন্ধুদের সঙ্গেও সম্পর্ক ভাঙতে পারে : বেশিরভাগ সময়ই দেখা গেছে, সঙ্গীর কথাবার্তার জন্য নিজের বন্ধুদের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে। এমনকী বহু ক্ষেত্রে সঙ্গীর দাপটে অন্য বন্ধুদের সঙ্গে মেশাও যায় না।  সঙ্গী যদি ব্যক্তিগত পরিসর দেওয়াতে বিশ্বাসী হন, সেক্ষেত্রে অনায়াসে বন্ধুদের সঙ্গে মেশা যায়। বন্ধুত্বে পড়ে না কোনও প্রভাব। তাই এই বিষয়টাও অবশ্যই মাথায় রাখুন। তবেই ভালো থাকতে পারবেন।

​নিজের পছন্দ বলে কিছু থাকে না : আপনার নিজস্ব কিছু পছন্দ থাকতে পারে। সেইভাবেই জীবনকে আপনি এগিয়ে নিয়ে যেতে চান অনেকে। কিন্তু সঙ্গীর কারণে অনেকসময় সেই পথে বাধা পড়ে। তবে যদি আপনার সঙ্গী এই বিষয়ে আপনাকে সাহায্য করে সেক্ষেত্রে খুব সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন। আর সঙ্গী যদি প্রতিপদে বাধা দিতে থাকেন, তবে সেক্ষেত্রে দেখা দিতে পারে মস্ত সমস্যা।