লোকগানভিত্তিক গানের দল নকশীকাঁথা ১৪ বছর পূর্ণ করে দেড় দশকে পা দিয়েছে ২৫ জানুয়ারি। বিলুপ্তপ্রায় লোকগানের ধারাগুলো থেকে কিছু কিছু ধারা ফিরিয়ে এনে সেগুলো আরও আকর্ষণীয় রূপে পরিবেশন করার চিন্তা থেকেই নকশীকাঁথার জন্ম।

জন্মদিন উপলক্ষে সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় এক বিশেষ ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে অংশ নেবেন নকশীকাঁথার সদস্যরা।

নকশীকাঁথার প্রতিষ্ঠাতা ভোকাল সাজেদ ফাতেমী বলেন, এটি আমাদের জন্য সত্যিই বড় ঘটনা। তবে করোনার কারণে অনেকদিন মঞ্চ ও টেলিভিশনের  কনসার্টে অংশ নেওয়া হচ্ছে না। এ জন্য মনটা কাঁদে। তবে আশা করছি শিগগির সবকিছু স্বাভাবিক হবে এবং আমরা মঞ্চ ও টেলিভিশনে ফিরতে পারব।

তিনি বলেন, আমাদের এতদূর এগিয়ে আসতে পারার জন্য গণমাধ্যমের বিশাল ভূমিকা আছে। সেইসঙ্গে দর্শক-শ্রোতারাতো আছেনই। তারাই আমাদের প্রাণ। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

গত ১৪ বছরে নকশীকাঁথার অর্জন অনেক। ২০১৮ সালে ঢাকা আন্তর্জাতিক লোকসংগীত উৎসবে অংশগ্রহণ তাদের অন্যতম অর্জন। নজর রাখিস (২০০৮) ও নকশীকাঁথার গান (২০১৬) শিরোনামে দুটি অ্যালবামসহ সবমিলে নিজেদের গানের সংখ্যা ৬০ ছাড়িয়েছে।

প্রকাশিত মিউজিক ভিডিও ৩০টি। নকশীকাঁথার গানের বিষয় ও বৈচিত্র্য নজর রাখিস শিরোনামে অ্যালবামটির গানগুলো মূলত বিভিন্ন সামাজিক ইস্যু নিয়ে। নদী বাঁচানোর গান, পরিবেশ ও প্রতিবেশ বাঁচানোর গান, ফ্যান্টাসি ও আধ্যাত্মিকতায় পূর্ণ। নকশীকাঁথার গান শিরোনামে অ্যালবামে ময়মনসিংহ গীতিকা, নেপালি লোকগানের আদলে গান, আধ্যাত্মিক গান, ভাটিয়ালি ও প্রচলিত স্রোতে গা না ভাসানোর আহ্বান-সংবলিত গান আছে। এছাড়া বাংলা ভাষার দুর্গতি নিয়ে গান ও পুঁথি এবং বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে দুটি গান প্রকাশ করেছে নকশীকাঁথা।

সাজেদ ফাতেমী বলেন, আপনাদের সবার ভালোবাসায় এতদূর এসেছি। সেই ভালোবাসা নিয়ে যেতে চাই আরও বহুদূর, জন্মদিনে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

মন্তব্য করুন