ঢাকা শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

সংসদের ভোটের ফল বিশ্লেষণ

প্রতিদ্বন্দ্বী যেখানে দুর্বল ভোট বেশি সেখানে

প্রতিদ্বন্দ্বী যেখানে দুর্বল ভোট বেশি সেখানে

দ্বাদশ নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৪ | ০১:২৭ | আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৪ | ২০:২১

কুমিল্লা-৮ আসনে একচেটিয়া জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। নৌকার প্রার্থীর ২ লাখ ৯৪৬ ভোটের বিপরীতে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী পেয়েছেন ৩ হাজার ৭২১ ভোট। একপেশে নির্বাচন হলেও, জেলার ১১ আসনের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৩ দশমিক ২৫ শতাংশ ভোটার উপস্থিত ছিল এ আসনে।

কুমিল্লা-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪৪ হাজার ৪১৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৪২ হাজার ৪৫০ ভোট। এমন তুমুল লড়াই হলেও এই আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৩৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। কুমিল্লা-৩ আসনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৩৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ। নৌকা ৮৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছে কুমিল্লা-৭ আসনে। এখানে ভোটের হার ৬৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যেসব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না, সেখানে ভোটার উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক বেশি। যেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন কিংবা তুমুল লড়াই হয়েছে, সেসব আসনে ভোটের হার কম। অথচ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের কারণে এসব আসনেই ভোটার উপস্থিতি বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল।

নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে এবার দলের মনোনয়নবঞ্চিতদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে বাধা দেয়নি আওয়ামী লীগ। যে ৬২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন, এর ১০টিতে ৫০ শতাংশের বেশি ভোটার উপস্থিত ছিল। আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে খ্যাত ফরিদপুর-৪ আসনে সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি ছিল ৬০ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। দলীয় প্রার্থীদের সঙ্গে তীব্র লড়াই করে স্বতন্ত্র জেতা বেশির ভাগ আসনে ৪০ শতাংশের কম ভোট পড়েছে। কুড়িগ্রাম-২ আসনে ২৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ, রাজশাহী-২ আসনে ২৬ দশমিক ৫৬ ভোটার উপস্থিত ছিল। ময়মনসিংহের ৬টি আসনে স্বতন্ত্র জয়ী হয়েছেন। চারটিতেই প্রদত্ত ভোটের হার ৩০ শতাংশের কম। জাতীয় পার্টির জেতা ১১ আসনের আটটিতে ভোটের হার ৩৫ শতাংশের কম।

তবে নৌকা যেখানে বিপুল ব্যবধানে জয় পেয়েছে, সেখানে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া ফলাফল অনুযায়ী ভোটার উপস্থিতি বেশি দেখা গেছে। চাঁদপুর-৪ আসনে নৌকা পেয়েছে ৩৬ হাজার ৪৫৮ ভোট এবং স্বতন্ত্র ঈগল পেয়েছে ৩৫ হাজার ৪২৫ ভোট। এত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইও ভোটার টানতে পারেনি এখানে। মাত্র ২৫ দশমিক ৯ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন। চাঁদপুর-১ আসনে ৯২ শতাংশ ভোট একাই পেয়ে জয়ী হয়েছেন নৌকার প্রার্থী। প্রতিদ্বন্দ্বিতার লেশ না থাকলেও এ আসনে ৫০ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন। বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা বলে পরিচিত ফেনী-২ আসনেও নৌকা ৯২ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকলেও ৬১ দশমিক ৮৫ ভোটার ভোটকেন্দ্রে আসেন। চট্টগ্রাম-৬ আসনে ৯৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে নৌকার প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এই আসনে ভোটের হার জেলার ১৬ আসনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৩ শতাংশ। অথচ পাশের চট্টগ্রাম-৫ আসনে জাতীয় পার্টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই হয়েছে। সেখান ভোটার উপস্থিতি ছিল মাত্র ২০ দশমিক ৬২ শতাংশ।

রাজধানীর ১৫ আসনের মধ্যে কোথাও ভোটার উপস্থিতি ৩০ শতাংশ পার হয়নি। অধিকাংশেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না। দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় ঢাকাতেই প্রতিদ্বন্দ্বীহীন আসনে ভোটার উপস্থিতি একবারে কম ছিল।

শহরের চেয়ে পল্লি এলাকায় ভোটের হার বেশি ছিল। আওয়ামী লীগ জয়ী হয়েছে ২২২ আসনে। জাতীয় পার্টি ১১ আসনে। এ ছাড়া জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি ও কল্যাণ পার্টি একটি করে আসনে জিতেছে। মোট ভোটার ছিলেন ১১ কোটি ৯৫ লাখ ১ হাজার ৫৮৫ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৯৯ লাখ ৫৫ হাজার ৪১২ জন।

বিএনপি বর্জন করায় আওয়ামী লীগের জয়ে সংশয় ছিল না। ফলে  আলোচনায় ছিল ভোটার উপস্থিতি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল গতকাল সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ২৯৮ আসনে ভোটার উপস্থিতির হার ৪১ দশমিক ৮ শতাংশ। ভোটার উপস্থিতির এই হার নিয়ে যে কেউ চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে গতকাল নির্বাচন কমিশন থেকে আসনভিত্তিক যে ফল জানা গেছে, সেখানে ভোটার উপস্থিতির হার দেখানো হয় ৪১ দশমিক ৯৯ শতাংশ। যদিও এই তথ্য ইসির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। কেন্দ্রভিত্তিক ফলও জানাতে পারেনি ইসি সচিবালয়। যদিও ভোটের দিন দুপুর ১২টায় ১৮ দশমিক ৫০ শতাংশ ও বিকেল ৩টায় ২৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ ভোটের তথ্য জানানো হয়। পরে ভোট গ্রহণ শেষে সিইসি ৪০ শতাংশের কাছাকাছি ভোটার উপস্থিত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছিলেন সিইসি। শেষের এক ঘণ্টায় প্রায় ১৪ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। গতকালের সংবাদ সম্মেলনে সিইসি এই অভিযোগের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ভোটের দিনের তথ্যে প্রকৃত হার দেওয়া সম্ভব হয়নি। কারণ, তখন পর্যন্ত ভোট গণনা শেষ হয়নি। গণনার পরই প্রকৃত ভোটের হার হাতে আসে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সাবেক নির্বাচন কমিশনার ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নির্বাচন কমিশন দেখানোর চেষ্টা করেছে, তারা একটা ভালো নির্বাচন করেছে। কিন্তু আসলে তো তা হয়নি। অধিকাংশ ভোটার ভোট দিতে আসেননি। ভোটার উপস্থিতি মেলাতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন হিসাব পেঁচিয়ে ফেলেছে।

ইসি সচিবালয় থেকে পাওয়া ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে আওয়ামী লীগের দুর্গখ্যাত গোপালগঞ্জ-৩ আসনে। এ আসনে ভোট দিয়েছেন ৮৭ দশমিক ২৪ শতাংশ ভোটার। নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা পেয়েছেন ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সুপ্রিম পার্টির এম নিজাম উদ্দীন লস্কর পান ৪৬৯ ভোট।

সবচেয়ে কম ১৩ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ ভোট পড়েছে ঢাকা-১৫ আসনে। এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৫০৪। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কামাল আহমেদ মজুমদার ৩৯ হাজার ৬৩২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। ফলে এবার শুরু থেকেই নির্বাচনী অনিয়ম বন্ধে নানা পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানায় ইসি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এবার ৪০ হাজারের বেশি কেন্দ্রের মধ্যে দুর্গম এলাকা বিবেচনায় মাত্র ২ হাজার ৯৭১ ভোটকেন্দ্রে আগের দিন ব্যালট পেপার পাঠানো হয়। প্রথমবারের মতো বাকি কেন্দ্রে ব্যালট পৌঁছায় ভোটের দিন সকালে।

ময়মনসিংহে দুটি আসনে অস্বাভাবিক ভোট

পুরো জেলায় ভোটার উপস্থিতি প্রায় ৪০ শতাংশ হলেও ময়মনসিংহ-২ আসনে ৫২ দশমিক ৭৭ শতাংশ ও ময়মনসিংহ-১০ আসনে ৬১ দশমিক ৯৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। এ দুটি আসনেই কারচুপি, প্রকাশ্যে ব্যালটে সিল মারার অভিযোগে নৌকার প্রতিপক্ষ প্রার্থীরা ভোট শুরুর পরপরই বর্জনের ঘোষণা দেন। ময়মনসিংহ-২ ও ময়মনসিংহ-১০ আসনে ভোট পড়েছে সবচেয়ে বেশি। অন্য ৯টি আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হলেও এ দুই আসনে নৌকার প্রার্থীরা সহজ জয় পেয়েছেন।

ময়মনসিংহ-২ আসনে ভোটার ৫ লাখ ৪০ হাজার ৩৪৫। আওয়ামী লীগের প্রার্থী গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ পেয়েছেন ২ লাখ ৬৩ হাজার ৪৩১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাবেক এমপি শাহ শহীদ সারোয়ার ১২ হাজার ১৫ ভোট পান।

ময়মনসিংহ-১০ আসনে ভোটার ৩ লাখ ৮২ হাজার ৯৪৬।  ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৩৭ হাজার ২৪৫ ভোটার। আওয়ামী লীগের ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল একাই পেয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ৮৯৩ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. আবুল হোসেন দীপু পান ৭ হাজার ৫১৩ ভোট। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট কায়সার আহাম্মদ ভোট পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০টি।

ময়মনসিংহ-১ আসনে ৩৭ দশমিক ৭১ শতাংশ, ময়মনসিংহ-৩ আসনে ৪৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ ভোট। এ আসনের একটি কেন্দ্রের কারণে পুরো আসনের ফল স্থগিত করা হয়েছে। ময়মনসিংহ-৪  আসনে ৪০ দশমিক ৪১ শতাংশ, ময়মনসিংহ-৫ আসনে ২৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ, ময়মনসিংহ-৬ আসনে ২৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ, ময়মনসিংহ-৭ আসনে ৩৩ দশমিক ৮৭ শতাংশ, ময়মনসিংহ-৮ আসনে ২৭ শতাংশ, ময়মনসিংহ-৯ আসনে ৪১ দশমিক ৭৮ শতাংশ ও ময়মনসিংহ-১১ আসনে ৪৫ দশমিক ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে। ময়মনসিংহ–১, ৫, ৬, ৭ এবং ১১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। বাকি চারটি আসনেও দলীয় প্রার্থীদের সঙ্গে স্বতন্ত্রের লড়াই হয়েছে।

বরিশাল-১ আসনে নৌকার বড় জয়ে অস্বাভাবিক ভোট

এই আসনে পুরোপুরি একপেশে নির্বাচনে বিশাল জয় পেয়েছেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। জেলার ৬টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে এখানে। ৩ লাখ ৪ হাজার ৩০৪ ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৩৪ জন ভোট দিয়েছেন। ভোটার উপস্থিতির হার ৬০ দশমিক ৪৮ শতাংশ। নৌকা পেয়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৭৭৭ ভোট।

পাশেই বরিশাল-২ আসনে ভোট পড়েছে ৪৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ। এই আসনে নৌকা প্রতীকে রাশেদ খান মেননের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী একেএম ফাইয়াজুল হক। বরিশাল-৫ সদর আসনে ভোট পড়েছে ২৯ দশমিক ২ শতাংশ।

চট্টগ্রামে শহরে কম ভোট, পল্লি এলাকায় বেশি

চট্টগ্রাম-৭ আসনে ভোট পড়েছে ৬৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। চট্টগ্রাম-৯ আসনে ভোটের হার ৩৪ দশমিক ৪০ শতাংশ। এসব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীর অবস্থা খুবই বেহাল। তবু নৌকার এত ভোট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নগরীর তুলনায় মফস্বলে ভোট পড়েছে অস্বাভাবিক হারে। চট্টগ্রাম-৬ আসনে টানা পঞ্চমবারের মতো জয়ী হয়েছেন এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী। এ আসনে শক্ত কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় গণমাধ্যমেরও ছিল না নজর। অস্বাভাবিক ভোট পড়ার এটিও আরেকটি কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

অভিন্ন চিত্র নগরের চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনেও। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী চসিক কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমনের সঙ্গে লড়ে জয় পেয়েছেন বর্তমান এমপি এম এ লতিফ। মাত্র ৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন তিনি। এই আসনে ভোটার উপস্থিতির হার মাত্র ২০ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিরোধী দলের বর্জনের মধ্যেই ১৫৩ আসনে প্রার্থীরা বিনা ভোটে জয় নিশ্চিত করেন। বাকি আসনে ব্যাপক সহিংসতার মধ্যে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৪০ শতাংশের বেশি। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপিসহ প্রায় সব দল অংশ নিলেও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এই নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৮০ শতাংশ। যদিও ভোটার উপস্থিতির হার নিয়েও ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে।

 

 

আরও পড়ুন

×