সাহিত্যে রসবোধ খুব গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাডাম জনসন

প্রকাশ: ০৯ নভেম্বর ২০১৮      

সমকাল প্রতিবেদক

ঢাকা লিট ফেস্টের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে লেখক ও পাণ্ডুলিপি সম্পাদক কেলি ফ্যালকোনারের সঙ্গে একটি সেশনে আলোচনায় অংশ নেন পুলিৎজারজয়ী লেখক ও যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক অ্যাডাম জনসন। 

এ সময় তিনি বলেন, সাহিত্যে রসবোধ খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই রসবোধ লেখার সঙ্গে পাঠকের আন্তঃযোগাযোগ সহজ করে দেয়।

অ্যাডাম জনসন বলেন, প্রতিটি মানুষের জীবনের গল্পগুলো তাকে ঘিরেই আবর্তিত হয়। লক্ষ্য ঠিক করে, নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আমরা যখন কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাই, তখন সেটাকে জীবনের সার্থকতা বলে মেনে নিই। এই গল্পের পুরোটায় ওই ব্যক্তি নায়কের ভূমিকা থাকে।

তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার স্থানীয় চিড়িয়াখানায় নৈশপ্রহরী হিসেবে কাজ করতেন তার বাবা। তার আট বছর বয়সে মা-বাবার বিচ্ছেদ হয়। শৈশবে অ্যাডাম বাবার সঙ্গে প্রায়ই ঘুরতে যেতেন সোনোরান মরুভূমিতে। ধূ ধূ মরুতেই তিনি গভীরভাবে অনুধাবন করতে থাকেন প্রাণের অস্তিত্ব। শিশু বয়সের এই অনুধাবন তাকে সাহিত্যের পথে যাত্রা করতে সহায়তা করে। 

উত্তর কোরিয়ায় ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা ‘দ্য অরফ্যান মাস্টারস সন’ উপন্যাসের জন্য পুলিৎজার পুরস্কার পান অ্যাডাম। 

ফিকশন, নন-ফিকশন দুই ধারার পাণ্ডুলিপির সম্পাদক হিসেবে লন্ডনের বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থায় কাজ করেছেন কেলি।

অ্যাডামের কাছে প্রথমেই কেলি জানতে চান মুক্ত পৃথিবী প্রসঙ্গে। উত্তরে অ্যাডাম বলেন, বাতাসের বয়ে যাওয়া, পাখির কলতান— এগুলো উপলব্ধি করতে পারলেই মুক্ত পৃথিবীতে মুক্তভাবে বেঁচে থাকাটা অনুভব করতে পারবেন আপনি।

লেখালেখির ক্ষেত্রে গবেষণা ও অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ববহ মনে করেন অ্যাডাম। কেলি তার সঙ্গে একমত হয়ে যোগ করেন, লেখা শুরুর আগে মৌলিক গবেষণা জরুরি। এরপর কয়েক মাস বিরতি নিয়ে লিখতে শুরু করা যেতে পারে। এটি ওই লেখাকে স্বতস্ফূর্তভাবে সম্পন্ন হতে সহায়তা করে।

প্রাচ্য-পাশ্চাত্যের মধ্যে সাহিত্য বিনিময়ের ব্যাপারে একমত হন অ্যাডাম ও কেলি। এ বিষয়ে কেলি বলেন, প্রাচ্যের সাহিত্যের মাত্র তিন শতাংশ পশ্চিমে অনূদিত হয়।

বাংলাদেশের আতিথেয়তায় মুগ্ধ অ্যাডাম বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে গিয়েছি। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের মতো উষ্ণ আতিথেয়তা অন্য কোথাও পাইনি। এর কারণ এদেশের মানুষের তুলনাহীন মানবতাবোধ। এই চর্চা ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন

ট্রাম্প-কিম দ্বিতীয় বৈঠক ফেব্রুয়ারিতে

ট্রাম্প-কিম দ্বিতীয় বৈঠক ফেব্রুয়ারিতে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম ...

বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর তদন্ত করছে কুয়েত

বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর তদন্ত করছে কুয়েত

বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর এবং কর্মকর্তাদের নির্যাতনের ঘটনা তদন্ত করছে কুয়েত ...

আজ ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাপনা যেমন

আজ ঢাকার সড়ক ব্যবস্থাপনা যেমন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের নিরঙ্কুশ বিজয় উদযাপনে বিজয় সমাবেশ ...

আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ আজ

আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ আজ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের নিরঙ্কুশ বিজয় উদযাপনে বিজয় সমাবেশ ...

ইউএনও আসার খবরে বাবা-মেয়ে উধাও

ইউএনও আসার খবরে বাবা-মেয়ে উধাও

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নে বড়গাঁও গ্রামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ...

ভূমির রাজস্ব যায় কই

ভূমির রাজস্ব যায় কই

ভূমি খাত থেকে আদায় হওয়া রাজস্বের একটি বড় অংশ সরকারি ...

ছয় বছরে প্রাণহানি ২৪০ নিখোঁজ দুই শতাধিক

ছয় বছরে প্রাণহানি ২৪০ নিখোঁজ দুই শতাধিক

২০১২ সালের ১২ মার্চ থেকে চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ...

হাওরে পাখি নেই আগের মতো

হাওরে পাখি নেই আগের মতো

একসময় শীত এলেই পরিযায়ী পাখির কলরবে মুখর হতো নাসিরনগরের মেদীর ...