প্রস্তাবিত বাজেটে পোশাক খাতের উদ্যোক্তাদের কোনো দাবিই আমলে নেওয়া হয়নি। এতে অতিমারি করোনায় পোশাকখাতের পুনরুদ্ধার কঠিন হয়ে পড়বে। বাজেট প্রস্তাব পেশের পর এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সমকালের সঙ্গে আলাপে এ মত দিয়েছেন তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ-এর সভাপতি ফারুক হাসান

বাজেট পেশের আগে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে একগুচ্ছ প্রস্তাব দেওয়া হয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর)। এসবের মধ্যে রয়েছে উৎসে কর বিদ্যমান শতকরা ৫০ পয়সার পরিবর্তে ২৫ পয়সা নির্ধারণ করা। এই করকেই চূড়ান্ত দায় হিসেবে গণ্য করা। উচ্চ মূল্যের পোশাকের উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াতে কৃত্রিম তন্তুর তৈরি পোশাকে ১০ শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা দেওয়া। সরকারের দেওয়া নগদ সহায়তার ওপর আয়কর কর্তনের বিদ্যমান নিয়ম বাতিল করা।

বিজিএমইএ সভাপতি আরও বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার স্বার্থে এ দাবিগুলো অত্যন্ত যুক্তিসংগত ছিল।

ফারুক হাসান বলেন, বাজেট নিয়ে আরও বিস্তারিত কাজ করছে বিজিএমইএ। সুবিধা-অসুবিধাগুলো ভালোভাবে বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। শনিবার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় সেসব তুলে ধরবেন তারা।

বিষয় : বিজিএমইএ বাজেট ২০২১-২২

মন্তব্য করুন