খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতায় বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক দেশের জন্য রোল মডেল। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার তথ্যানুযায়ী, সবজি ও মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে তৃতীয়। ধান উৎপাদনে চতুর্থ ও আলু উৎপাদনে রয়েছে সপ্তম অবস্থানে। বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও দুর্যোগসহিষ্ণু শস্যের জাত উদ্ভাবনেও শীর্ষে আছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও বিশ্বব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, গত এক দশকে চাল উৎপাদন বেড়েছে ৩০ শতাংশ। অন্যান্য কৃষিপণ্য যেমন- ফল, ফুল, মসলা, আঁশজাতীয় খাদ্য, ডাল, ভুট্টা, আলু, সবজি ও তেলজাতীয় খাদ্য উৎপাদন যথাক্রমে ১০২, ৯১, ৬৩, ৭৩, ৬১, ৪৮, ৩১, ২৮ ও ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে ধানের উৎপাদন তিন গুণেরও বেশি, গম দ্বিগুণ, সবজি পাঁচ গুণ এবং ভুট্টার উৎপাদন বেড়েছে ১০ গুণ। বর্তমানে ১২টি কৃষিপণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের স্থান পৃথিবীর শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে। দেশজুড়ে ৬০ ধরনের ও ২০০টি জাতের সবজি উৎপাদিত হচ্ছে। সবজি চাষাবাদ করেন এমন কৃষক পরিবারে সংখ্যা ১ কোটি ৬২ লাখ। করোনা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাঝেও বর্তমান অর্থবছরে খাদ্যশস্যের [চাল, গম ও ভুট্টা] উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৪ কোটি ৫৩ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।

বিষয় : খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা

মন্তব্য করুন