বিভিন্ন ক্ষেত্রের মতো দুর্যোগ মোকাবিলায়ও বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল হয়ে উঠেছে। করোনাকালেও এ দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় প্রাইভেট সেক্টরকে এখনও বড় পরিসরে যুক্ত করা যায়নি। এ ব্যবস্থাপনায় বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকে খরচ হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু এটিকে বিনিয়োগ হিসেবেই দেখতে হবে। বিনিয়োগের আগে ঝুঁকি চিহ্নিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রাইভেট সেক্টরের অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগ বাড়লে আরও ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে। কমবে ক্ষয়ক্ষতি। যে কোনো দুর্যোগে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হয়। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি প্রাইভেট সেক্টরও বিনিয়োগ করে থাকে। এ দেশেও এই সেক্টরের অংশগ্রহণ বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিসহ নতুন নতুন দুর্যোগ মোকাবিলা করা সহজ হবে।
গতকাল বুধবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে দৈনিক সমকাল কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে 'জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ২০২১-২০২৫ :দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় প্রাইভেট সেক্টরের অংশগ্রহণ' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং সুপার প্রকল্পের আয়োজনে এই গোলটেবিল বৈঠকের মিডিয়া পার্টনার ছিল দৈনিক সমকাল। সুপার প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন হিউম্যানিটারিয়ান এইড (ইকো)।
সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফির সঞ্চালনায় এই আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন। অনুষ্ঠানে অনেকে অনলাইনেও যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন।
গোলটেবিলের শুরুতেই মুস্তাফিজ শফি বলেন, চলমান করোনা-দুর্যোগ বা বৈশ্বিক মহামারি আজকের এই আলোচনাকে আরও বেশি প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে। প্রাইভেট সেক্টরের অনেক উদ্যোক্তাকেও আমরা করোনায় হারিয়েছি। দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রাইভেট সেক্টরকে যুক্ত করা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে সবাই মিলেই কাজ করতে হবে। শুধু সরকারি বা বেসরকারি খাত নয়, এটা আমাদের সবার দায়িত্ব- এই চেতনা বুকে ধারণ করতে হবে। তিনি বলেন, সমকাল সামাজিক সব উদ্যোগের সঙ্গে থাকতে চায়। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমরা এ আলোচনায় যুক্ত হয়েছি। আমরা এই আলোচনা শুরু করলাম। আশা করছি, এটা এগিয়ে যাবে। আলোচনার মধ্য দিয়ে দুর্যোগের ঝুঁকি ও ক্ষতি কমাতে সব সেক্টর ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।
আলোচনা সভায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেন, রানা প্লাজা ধসের পর অন্যান্য দেশ এ দেশের গার্মেন্টের ওপর কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করে। বিজিএমইএ কারখানাগুলোতে এগুলো বাস্তবায়ন করেছে। বিশ্বের সেরা দশটি গ্রিন গার্মেন্টের মধ্যে প্রথম তিনটি বাংলাদেশের। রানা প্লাজা ধসের পর বাংলাদেশের ৯৯ দশমিক ৬ শতাংশ পোশাক কারখানা দুর্যোগ-ঝুঁকি বিষয়ে নিয়মনীতি বাস্তবায়ন করেছে। ফলে এরপর গার্মেন্ট সেক্টরে আর বড় কোনো দুর্ঘটনা হয়নি। করোনাকালে গার্মেন্ট কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি মানতে বিনিয়োগ করেছে। তাই এখানে সংক্রমণের হার অনেক কম। বিনিয়োগের কারণে তারা এই কঠিন সময়েও ব্যবসা করতে পারছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় বিনিয়োগ করলে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি কম হবে। বিল্ডিং কোড মেনে ভবন বানালে নিজেদেরই লাভ।
দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের নানা উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী মানুষকে পাকা বাড়ি দিচ্ছেন। এতে দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি অনেক কমে আসবে। এ ছাড়া দুর্যোগ পূর্বাভাস আপডেট, সচেতনতা তৈরি, দুর্যোগ-পরবর্তী ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার একটি তহবিল গঠন করেছে। এই তহবিলে বেসরকারি খাত সহায়তা করতে পারে। দুর্যোগ-ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় প্রাইভেট সেক্টরের বিনিয়োগ বিষয়ে অনেক পথ খোলা রাখা হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ছাড়াও সব মন্ত্রণালয় এ নিয়ে কাজ করলে পুরো দেশ দুর্যোগ-সহনীয় হয়ে উঠবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারই ভূমিকা রাখছে। বিভিন্ন প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান সরকারকে সহায়তা করে, সরকার সেটি বিতরণ করে। এটি দীর্ঘস্থায়ী কোনো কার্যক্রম নয়। এখন করোনা চলছে, সামনে আরও নতুন নতুন দুর্যোগ আসবে। বজ্রপাতে অনেক লোক মারা যাচ্ছে। আমরা প্রকৃতির সঙ্গে বৈরী আচরণ করেছি। ফলে প্রকৃতি আমাদের সাজা দিচ্ছে। সচেতনতা বাড়াতে শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্যোগের বিষয় যুক্ত করা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আরও আপডেট করা এবং প্রাইভেট সেক্টরের বিনিয়োগ বাড়ানোর সুপারিশ করেন তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন বলেন, দুর্যোগের পর পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশের ঘুরে দাঁড়াতে সময় লেগেছে। কিন্তু বাংলাদেশ বছর বছর বড় বড় দুর্যোগ মোকাবিলা করে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, আজকের আলোচনা থেকে অনেক সুপারিশ উঠে এসেছে। পরিকল্পনা তৈরি ও বাস্তবায়নে সুপারিশগুলো বড় ভূমিকা রাখবে।
স্বাগত বক্তব্যে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর ন্যাশনাল ডিরেক্টর সুরেশ বার্টলেট বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রাইভেট সেক্টর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এতে সফলতা আসবে।
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, পোশাকশিল্পে ৪০ লাখ মানুষ কাজ করছেন। চলতি অর্থবছরে ৩৪ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি হয়েছে। ভবন নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা বাধ্যবাধকতা দিয়েছি। কেন্দ্রীয় তহবিল করা হয়েছে। ৪৭৫টি গ্রিন কারখানা করার প্রস্তুতি চলছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা অনেক সিরিয়াস। এ ক্ষেত্রে যে কোনো কাজে আমরা অংশ নেব।
অ্যাকশনএইড, বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, নতুন করে এখন সবাই করোনার কথা ভাবছি। ভবিষ্যতে এমন আরও দুর্যোগ আসতে পারে। আমাদের মধ্যে একজনও যদি ঝুঁকিমুক্ত না থাকে, তাহলে কেউ ঝুঁকিমুক্ত থাকবে না। সবাই ঝুঁকিমুক্ত না থাকলে ব্যবসা হবে না। দুর্যোগে খাদ্য নিরাপত্তাসহ সবকিছুতেই আঘাত আসে। ফলে পরিকল্পনা খুবই জরুরি। সরকারের পরিকল্পনার সঙ্গে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ দেখতে চাই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজের (আইডিএমভিএস) পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহবুবা নাসরীন বলেন, দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় প্রাইভেট সেক্টরের অংশগ্রহণ নিয়ে ২০১৫ সাল থেকে অনেক বৈঠক করা হয়েছে। অনেক কিছু স্পষ্ট হওয়ার পরও প্রাইভেট সেক্টরকে মনে করা হয়, তারা সিএসআর কিংবা চ্যারিটি করবে। কিন্তু প্রকৃত অর্থে এটি যে বিনিয়োগ- সেটি অনেকেই মানতে চান না। সাইক্লোন কিংবা ঘূর্ণিঝড় হলে ব্যবসায়ীদেরই বেশি ক্ষতি হয়। এ খাতে তারা বিনিয়োগ না করলে তাদেরই বেশি ক্ষতি হবে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগ বাড়ানো খুবই জরুরি। প্রশিক্ষণ, সচেতনতা তৈরি, দুর্যোগ-সহনীয় ভবন তৈরি, দুর্যোগ-পরবর্তী সহায়তাসহ নানা কাজে প্রাইভেট সেক্টর ভূমিকা রাখতে পারে। এতে দুর্যোগপ্রবণ এ দেশ আরও দুর্যোগ-সহনীয় হয়ে উঠবে।
ইউরোপিয়ান কমিশন হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড সিভিল প্রোটেকশনের ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন বিভাগের প্রোগ্রাম অ্যাসিস্ট্যান্ট মুকিত বিল্লাহ বলেন, সুপার প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে, দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় প্রাইভেট সেক্টরের অংশগ্রহণ বাড়ানো। বড় দুর্যোগ সরকারের একার পক্ষে সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতকে যুক্ত করে নেটওয়ার্ক বাড়ানো যায়।
জাতিসংঘ বাংলাদেশের হিউম্যানিটারিয়াল অ্যাফেয়ার্স স্পেশালিস্ট কাজী সাহিদুর রহমান বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় যখন আমরা উপকূল নিয়ে চিন্তা করেছি, তখন স্বেচ্ছাসেবক ছিল। যখন আমরা নগরের দুর্যোগ নিয়ে চিন্তা করছি, তখন স্বেচ্ছাসেবক পাচ্ছি না। ফলে আমরা প্রাইভেট সেক্টরের অংশগ্রহণের কথা বলছি।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) কান্ট্রি প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মাতসুমুরা নাউকি বলেন, জাপানে দুর্যোগ হওয়ার পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঘুরে দাঁড়াতে পারে। এ জন্য তারা আগে থেকে কাজ করেছে। জাইকা থেকে আমরা অনেক কাজ করছি। বিশেষ করে ভবন নিয়ে কাজ করছি।
ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের এইচইএ ডিরেক্টর দোলন গোমেজ বলেন, দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সরকার কিংবা প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমরা দীর্ঘদিন কাজ করছি। প্রাইভেট সেক্টরের ব্যাপ্তি অনেক বড়। প্রাইভেট সেক্টরের সামনে ঝুঁকির বিষয়গুলো পরিস্কার করা গেলে বিনিয়োগ বাড়বে।
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি রিজওয়ান রাহ্‌মান বলেন, টাকা দিয়ে দুর্যোগ মোকাবিলা করা যায় না- রানা প্লাজা ধসের সময় এটা প্রমাণ হয়েছে। দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা রয়েছে। দুর্যোগের জন্য গ্রাম থেকে নগরে গ্রিন ফান্ড গঠন, সচেতনতা তৈরি, সঠিকভাবে নদী ড্রেজিং, গবেষণার জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ ও প্রযুক্তির প্রসার বাড়ানোর সুপারিশ করেন তিনি।
ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশনের নির্বাহী পরিচালক ড. এম এহসানুর রহমান বলেন, দেশে দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয়ভাবে ব্যক্তি খাত সবার আগে এগিয়ে আসে। এটি আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। এটিকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের কথা বলা হচ্ছে। স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত এটি করতে হবে।
মূল প্রবন্ধে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ-এর কনসোর্টিয়াম ম্যানেজার আ ম নাছির উদ্দিন বলেন, ২০২১-২৫ সালের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে। প্রাইভেট সেক্টর কীভাবে যুক্ত হতে পারে, তা এ পরিকল্পনায় রয়েছে। এখানে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের কথা বলা হয়েছে। মনিটরিং সংযুক্ত করা হয়েছে। বার্ষিক মূল্যায়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ২০২১ সাল আমাদের কাজ শুরুর বছর। সে জন্য আমরা আলোচনা শুরু করেছি।
ইউনাইটেড পারপাস-এর ডিআরএম অ্যান্ড ইআর-এর হেড মাসুদ রানা বলেন, ভূমিকম্প হলে সবচেয়ে বেশি আঘাত পাবেন ব্যবসায়ীরা। আমরা সবাই মিলে যদি একসঙ্গে কাজ করতে পারি, তাহলে করোনার মতো অন্যান্য দুর্যোগও মোকাবিলা করতে পারব।