বেশি মানুষ দেখেছে
বিশ্বে এমন কোনো দেশ নেই, যারা ফুটবল খেলে না। কোনো কোনো দেশের ইউনিক কোনো খেলা থাকতে পারে। তবে ফুটবল সব জায়গায় এক। এক সুতোয় সারা বিশ্বকে গাঁথতে পারে কেবল ফুটবল। তাই বিশ্বে মোস্ট-ওয়াচড ইভেন্টই হলো বিশ্বকাপ। আর খেলা দেখার দিক থেকে প্রতিবারই আগের রেকর্ড ভঙ্গ কর ফিফা বিশ্বকাপ। আগের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে ২০১৮তে রাশিয়া বিশ্বকাপ। প্রায় অর্ধ বিলিয়ন বা ৫০০ কোটি মানুষ দেখেছে 'দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ' রাশিয়া বিশ্বকাপ।

দ্রুততম গোল
খেলা শুরুর পর কত সময়ে একটি গোল দেওয়া যায়? আপনি হয়তো ভাবছেন এক মিনিট তো লাগতেই পারে! ২০০২ বিশ্বকাপে খেলা শুরুর মাত্র ১১ সেকেন্ডের মাথায় গোল করেন তুর্কি খেলোয়াড় হাকান শুকুর। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ওই প্লে-অফ ম্যাচে ৩-২ গোলে জিতে দ্বিতীয় রানার্সআপ হয় তুরস্ক।

দ্রুততম লাল কার্ড
১৯৮৬ বিশ্বকাপে উরুগুয়ের ডিফেন্ডার হোসে বাতিস্তা খেলা শুরুর মাত্র ৫৬ সেকেন্ডের মাথায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বাকি সময় ১০ জন নিয়ে খেলেও গোলশূন্য ড্র করতে সমর্থ হয় উরুগুয়ে।

এক আসরে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ গোল
১৯৫৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের স্ট্রাইকার জাস্তো ফন্তেইন করেছেন সর্বোচ্চ ১৩ গোল। মাত্র ১৩ ম্যাচ খেলে এই অসামান্য কীর্তি অর্জন করেন ফরাসি তারকা।

সবচেয়ে বড় জয়
১৯৮২ বিশ্বকাপে সেন্ট্রাল আমেরিকার দেশ এল সালভাদোরকে ১০-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল উরুগুয়ে। এটিই এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়।

এক ম্যাচে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ গোল

১৯৯৪ বিশ্বকাপে রাশিয়ান স্ট্রাইকার সালেনকো এক ম্যাচেই করেন ৫ গোল। ক্যামেরুনের বিপক্ষে ৬-১ গোলে জিতে রাশিয়া। এটিই বিশ্বকাপে এক ম্যাচে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ গোল।

এক ম্যাচে সর্বোচ্চ গোল
১৯৫৪ বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ডের ম্যাচে সর্বোচ্চ ১২ গোল হয়। ঐতিহাসিক ওই ম্যাচে সুইসদের বিপক্ষে ৭-৫ গোলে জয় পায় অস্ট্রিয়া।

চুরি হওয়া বিশ্বকাপ
১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে চুরি হয়ে যায় জুলে রিমে ট্রফি। চুরির সপ্তাহখানেক পর ট্রফিটি উদ্ধার করে একটি কুকুর। এমন কীর্তির জন্য বীরের স্বীকৃতি পান পিকলস নামের কুকুরটি।

সরে আসে ভারত
বর্তমানে বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে না ভারত। অথচ স্বেচ্ছায় ১৯৫০ বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেয় টিম ইন্ডিয়া। খালি পায়ে খেলতে পারবে না এমন কারণ দেখিয়ে নিজেদের সরিয়ে নেয় দলটি।