ঢাকা মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪

টোলের টাকায় ২০ বছরে ঋণ পরিশোধ

টোলের টাকায় ২০ বছরে ঋণ পরিশোধ

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৩ | ১৮:০০ | আপডেট: ২৮ অক্টোবর ২০২৩ | ০৬:০৮

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে টানেলে গাড়ি চলাচলে দিতে হবে টোল। টানেলে প্রবেশের আগে গাড়ির স্ক্যান করতে হবে। তবে এ জন্য গাড়ি থামাতে হবে না। স্ক্যানারের মধ্যে দিয়ে যাবে চলন্ত গাড়ি।

সম্ভাব্যতা সমীক্ষা অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধু টানেলে দিনে গড়ে ২৭ হাজার ৩০৫টি যানবাহন চলাচল করবে। ২০৩০ সালে যানবাহন চলাচলের প্রাক্কলন করা হয়েছে ৩৭ হাজার ৯৪৬। ২০৬৭ সালে যানবাহন চলাচলের লক্ষ্যমাত্রা দিনে গড়ে ১ লাখ ৬২ হাজার। চলাচল করা গাড়ি থেকে আদায় করা টোলে উঠে আসবে টানেলের নির্মাণ ব্যয়। ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা দেশের প্রথম টানেলটিতে চীনের এক্সিম ব্যাংক ঋণ দিয়েছে ৬ হাজার ৭০ কোটি টাকা। আগামী ২০ বছরে এ ঋণ পরিশোধ করা হবে টোল থেকে আদায় করা অর্থে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী গাড়ি, জিপ বা পিকআপের জন্য ২০০ এবং মাইক্রোবাসের জন্য টোল ২৫০ টাকা। বাসের আসন ৩১-এর কম হলে টোল ৩০০; ৩২ বা তার বেশি হলে ৪০০ টাকা। ৩ অ্যাক্সেল বাসের টোল ৫০০ টাকা। ট্রাক ৫ টন পর্যন্ত টোল ৪০০ টাকা। ৮ টন পর্যন্ত ট্রাকের টোল ৫০০ টাকা। ৮ থেকে ১১ টনের ট্রাকের টোল নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০০ টাকা। মালবাহী ৩ এক্সেল ট্রেলারের টোল ৮০০ টাকা। ৪ এক্সেলের ট্রেলারে ১ হাজার টাকা। বাড়তি প্রতি এক্সেলের জন্য ১ হাজারের সঙ্গে ২০০ টাকা যোগ করে টোল দিতে হবে।

সেতু বিভাগের সচিব মনজুর হোসেন জানিয়েছেন, পতেঙ্গা প্রান্ত দিয়ে গাড়ি প্রবেশের আগে টোল দিতে হবে না। টানেল অতিক্রম করে টোলপ্লাজায় যেতে হবে। প্রবেশের আগে গাড়ি স্ক্যানিং করতে হবে। অতিরিক্ত ওজনের বা পণ্যবাহী গাড়ি টানেলে যেতে পারবে না।

বাস, কার, মাইক্রোবাসসহ যাত্রীবাহী যানের জন্যও স্ক্যানিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। এসব যানবাহনের জন্য আন্ডার ভেহিকেল স্ক্যানিং সিস্টেম (ইউভিএসএস) ব্যবহার করা হবে। পণ্যবাহী গাড়ির জন্য রয়েছে পৃথক স্ক্যানার। স্ক্যানিং শেষে গাড়িগুলো চলে আসবে ওজন স্কেল এলাকায়। সেখানে পরিমাপের পর প্রবেশ করবে টানেলে। টানেলের ভেতরে রয়েছে অগ্নিনিরোধক বোর্ড। গাড়িতে আগুন লাগলেও তা টানেলে ছড়াবে না। টানেলে বাতাস প্রবাহের জন্য নির্দিষ্ট দূরত্ব পরপর রয়েছে জেট ফ্যান।

আরও পড়ুন

×