গত ডিসেম্বরে শেষ হয়েছে সাউথ এশিয়ান গেমস। নেপালে অনুষ্ঠিত এসএ গেমসে বাংলাদেশ ১৯টি স্বর্ণ, ৩২টি রৌপ্য এবং ৮৫টি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিল। ছয় মাস পর তালিকায় আরও দুটি পদক বাড়ছে বাংলাদেশের! ডোপ টেস্টে পাকিস্তানের অ্যাথলেটরা পজিটিভ হওয়ায় রিলেতে দুটি ব্রোঞ্জ যোগ হতে পারে বাংলাদেশের।

একটি চার গুণিতক ১০০ মিটার এবং অন্যটি চার গুণিতক ৪০০ মিটার ইভেন্টে। ব্রোঞ্জজয়ী পাকিস্তান ডোপ টেস্টে পজিটিভ আসায় চতুর্থ হওয়া বাংলাদেশের দিকেই ঝুঁকবে পদক দুটি। এমন সম্ভাবনার কথাই জানিয়েছেন অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রকিব মন্টু। তবে তালিকায় পদক যোগ হওয়ায়টা দীর্ঘ প্রক্রিয়া। কারণ ডোপ টেস্টে যারা পজিটিভ হয়েছেন তাদের আপিলের রায়ের ওপর নির্ভর করছে অনেক কিছু।

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ব বৃহৎ ক্রীড়া আসরে অ্যাথলেটিক্স ডিসিপ্লিনে একটি করে রুপা ও ব্রোঞ্জ জিতেছিল বাংলাদেশ। হাইজাম্পে মাহফুজুর রহমান রুপা এবং লংজাম্পে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন আল আমিন। গেমস শেষ হওয়ার ছয় মাস পর জানা গেল দুটি রিলেতে অংশ নেওয়া পাকিস্তানের অ্যাথলেটরা ডোটিং টেস্ট উতরে যেতে ব্যর্থ হয়েছেন। পাকিস্তানের ১১০ মিটার হার্ডলসে স্বর্ণজয়ী মোহাম্মদ নাঈম, ৪০০ মিটার হার্ডলসে স্বর্ণজয়ী মেহবুব আলী ও ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ব্রোঞ্জ জেতা সামি উল্লাহর ডোপ টেস্ট পজিটিভ এসেছে।

দুটি রিলেতেই ছিলেন ডোপিং পাপী অ্যাথলেটরা। এ দুটি ইভেন্টের মধ্যে ৪ গুণিতক ১০০ মিটার রিলেতে হাসান আলী, মোহাম্মদ ইসমাইল, আবদুর রউফ ও সাইফুল ইসলাম এবং ৪ গুণিতক ৪০০ মিটার রিলেতে জহির রায়হান, আবু তালেব, মাসুদ রানা ও সাইফুল ইসলাম অংশ নিয়েছিলেন।

এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রকিব মন্টু বলেন, 'যদিও পাকিস্তানের অ্যাথলেটদের ডোপিং টেস্ট পজিটিভ, তার পরও পদক আমাদের তালিকায় যোগ হওয়ার বিষয়টি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। কারণ তারাও আপিল করার সুযোগ পাবে। সেই আপিল যদি যুক্তিসঙ্গত না হয়, তাহলেই কেবল পদক দুটি আমাদের ঝুলিতে আসবে। সেই সঙ্গে পাকিস্তানি ওই অ্যাথলেটরা চার বছরের জন্য নিষিদ্ধও হতে পারে। এই বিষয়টি নিয়ে আমরা বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সঙ্গে আলোচনাও করেছি।'

মন্তব্য করুন