খেলাধুলা শুরুর আগে খেলার মাঠ ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালুর আগে মহামারি প্রতিরোধ সরঞ্জাম যেমন মাস্ক, গ্লাভস, জীবাণুনাশক এবং নন-কন্ট্যান্ট ইনফ্লারেড থার্মোমিটার ও সংরক্ষণ করে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কাজের পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।

সীমিত আকারে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও খেলাধুলার আয়োজন করা যেতে পারে।

খেলোয়াড়, প্রশিক্ষক, ম্যানেজমেন্ট কমিটি এবং খেলাধুলা সংশ্নিষ্ট সবার নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দেখতে হবে। ক্যাম্প শুরুর আগে প্রয়োজনবোধে সবার কভিড-১৯ পরীক্ষা করা যেতে পারে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে। অনলাইনের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা যেতে পারে।

খেলা ও অনুশীলনের সময় ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিজস্ব ব্যাগে রাখতে হবে।

অধিক জনসমাগম না করে সীমিত আকারে খেলাধুলা আয়োজন করা যেতে পারে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মাঠে প্রবেশ ও বের হতে হবে দর্শকদের। পাশাপাশি দু'জন দর্শকের মাঝে এক সিট খালি রাখতে হবে।

খেলার মাঠে প্রবেশের সময় খেলোয়াড়, কোচ, ম্যানেজমেন্ট কমিটি এবং বহিরাগত দর্শনার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপার ব্যবস্থা রাখতে হবে। যাদের শরীরে তাপমাত্রা ৯৮.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি তাদের মাঠে প্রবেশ না করিয়ে কাছের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠাতে হবে।

খেলোয়াড়, প্রশিক্ষক এবং ম্যানেজমেন্ট কমিটির মধ্যে কভিড-১৯-এর সন্দেহভাজন কোনো রোগী থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে আইসোলেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

খেলার মাঠের আবর্জনা প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে এবং আবর্জনা সংরক্ষণকারী পাত্র প্রতিদিন জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

স্টেডিয়ামে আগত সবাইকে স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন করার জন্য সহজে দৃশ্যমান হয় এমন স্থানে বিলবোর্ড, রেডিও, ভিডিও এবং পোস্টারের মাধ্যমে সচেতনামূলক বক্তব্য প্রচার করার ব্যবস্থা করতে হবে।