আরচার রোমান সানা সরাসরি অলিম্পিকে খেলার টিকিট পেয়েছেন নিজ যোগ্যতায়। টোকিও অলিম্পিকে বাংলাদেশ থেকে রোমান ছাড়া যে কয়েকজন অ্যাথলেট অংশ নেবেন, তারা সবাই ওয়াইল্ড কার্ডের মাধ্যমে খেলবেন। 

বুধবার জানা গেছে, সাঁতার থেকে ওয়াইল্ড কার্ডের মাধ্যমে অলিম্পিকে খেলার টিকিট পেয়েছেন লন্ডন প্রবাসী নারী সাঁতারু জুনাইনা আহমেদ। জিমন্যাস্টিকস সাইজ সিজারের পর দ্বিতীয় প্রবাসী হিসেবে অলিম্পিকে খেলার অপেক্ষায় জুনাইনা। তার অলিম্পিকে খেলার বিষয়টি বুধবার নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ সাঁতার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এমবি সাইফ, 'জুনাইনা একটি বিশ্ব সাঁতার চ্যাম্পিয়নে অংশগ্রহণ করে ভালো করার পুরস্কার পেয়েছে। জুনাইনার অলিম্পিকে খেলার নিশ্চয়তাটি ফিনা বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনকে জানিয়েছে। চার-পাঁচ দিন আগে আমরা তা জানতে পেরেছি।' 

সাঁতারে আরও একটি ওয়াইল্ড কার্ড পাচ্ছে। সেটা আরিফুল কিংবা জুয়েল যে কোনো একজন পাবেন। তবে সাইফ জানিয়েছেন, দ্বিতীয় ওয়াইল্ড কার্ড হিসেবে তাদের পছন্দ আরিফ। কেন আরিফকে বেছে নেবেন, সেই যুক্তিও দিয়েছেন তিনি, 'আমাদের মতে, দ্বিতীয় ওয়াইল্ড কার্ডটি আরিফের পাওয়ার বেশি সম্ভাবনা। কারণ, অলিম্পিকেরই একটি স্কলারশিপে ফ্রান্সে ট্রেনিং করেছে সে।'

সাঁতারে দুটি ওয়াইর্ল্ড কার্ড পাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে গেমসের অন্যতম আকর্ষণ অ্যাথলেটিকস থেকে একটির বেশি ওয়াইল্ড কার্ড পাচ্ছে না। ওয়াইল্ড কার্ডের জন্য শিরিন আক্তার, ইসমাইল হোসেন ও জহির রায়হানের নাম অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। এ তিনজনের মধ্যে যে কোনো একজন যেতে পারবেন টোকিও অলিম্পিকে। সাঁতার ও অ্যাথলেটিকসের ওয়াইল্ড কার্ডটি নিজ নিজ সংস্থা নির্ধারণ করে থাকে। বাকি ডিসিপ্লিনের ওয়াইল্ড কার্ডগুলো আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি নির্ধারণ করে থাকে। 

বাংলাদেশ থেকে ওয়াইল্ড কার্ড পেতে আবেদন করেছে কারাতে, বপিং ও ভারোত্তোলন। এই তিন ফেডারেশনের ওয়াইল্ড কার্ড পাওয়ার সম্ভাবনা সামগ্রিকভাবে খুবই কম। শুটিং থেকে আব্দুল্লাহ হেল বাকী, আতকিয়া হাসান দিশা ও শাকিল যে কোনো একজন পেতে পারেন অলিম্পিকের ওয়াইল্ড কার্ড।