তুচ্ছ ঘটনার জেরে মারামারি শুরু হয় দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে। এ সময় জব্বার মোল্লা (৬০) নামে একজন গুরুতর আহত হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান তিনি। 

বুধবার সকালে বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জব্বার মোল্লা কালিকাপুর গ্রামের সিডু মোল্লার ছেলে। তিনি নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

হিজলা থানার ওসি ইউনুস আলী বলেন, ওই ঘটনায় জড়িত থাকায় পারভীন বেগম নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। তিনি ঘটনার হোতা রাকিবের মা।

ওসি আরও জানান, মঙ্গলবার সকালে জব্বার মোল্লা মাছ ধরা শেষে নদী থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় দেখেন প্রতিবেশী কিশোর রাকিব সড়কের পাশে মল ত্যাগ করছে। এ পরিস্থিতিতে তাকে বকাঝকা করেন জব্বার মোল্লা। ওই ঘটনায় জব্বার মোল্লার ওপর ক্ষুব্ধ হয় রাকিব। ঢাকায় অবস্থানকারী রাকিবের মামা শহীদ সরদার বুধবার সকালে বাড়ি ফেরেন। এরপর রাকিবের মা ও মামারা জব্বার মোল্লার পরিবারের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয় তাদের মধ্যে। এ সময় জব্বার মোল্লা গুরুতর আহত হন। হিজলা উপজেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

তবে জব্বার মোল্লার বড় ভাই ছাত্তার মোল্লা অভিযোগ করেন, জব্বার মোল্লা তাদের ঘরে বসা ছিলেন। এ সময় শহীদ সরদার, কবির সরদার, ইব্রাহিম সরদার, সোহেল সরদারসহ ৮-১০ জন তাদের ওপর হামলা করে। তারা জব্বারকে কাঠ ও ইট দিয়ে আঘাত করে আহত করে। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।

ওসি ইউনুস আলী জানান, জব্বারের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।