তিন দিনের ছুটি কাটিয়ে আজ আবার এক ছাদের নিচে আসছেন রাসেল মাহমুদ জিমি-খোরশেদুর রহমানরা। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন ঠিকই, তবে একসঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারছেন না জাতীয় হকি দলের খেলোয়াড়রা। এশিয়ান গেমস বাছাইপর্ব এবং এশিয়া কাপ হকির জন্য এক মাস পরিবার থেকে দূরে থাকতে হবে তাদের। অবশ্য ক্যাম্প বা টুর্নামেন্টের কারণে দেশের বাইরে হকির খেলোয়াড়দের ঈদ করাটা নতুন কিছু নয়। তবে টেবিল টেনিস খেলোয়াড়দের জন্য এবারই প্রথম ক্যাম্পে ঈদ।

হকি দলের মিশন দুটি; একটি এশিয়ান গেমস বাছাই আরেকটি এশিয়া কাপ। ৬-১৫ মে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়ান গেমস হকির বাছাই। আর ২৩ মে থেকে ১ জুন ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় বসবে এশিয়ান কাপের মিলনমেলা। এবারই প্রথম এক মাসের সফর করতে যাচ্ছে হকি দল। ৪ মে ব্যাংককের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বে ইমান হকি দল। দুটি বড় প্রতিযোগিতা বলে ঈদের দিনও অনুশীলন করবেন হকির খেলোয়াড়রা। কোচ গোবিনাথানের এমন নির্দেশ বলে জানিয়েছেন রাসেল মাহমুদ জিমি, 'বহুবার বিদেশের মাটিতে আমি ঈদ করেছি। সেই ২০০৮ সাল থেকে শুরু। ২০১০ সালে গুয়াংজু এশিয়াডেও ঈদ করেছি চীনে। ২০১৮ এশিয়াডেও ঈদ কেটেছে জাকার্তায়। এবার ক্যাম্পে আমরা ঈদ করব।'

কমনওয়েলথ গেমসের জন্য একসঙ্গে অনুশীলন করে আসছেন টেবিল টেনিসের সিনিয়র ও জুনিয়র খেলোয়াড়রা। তবে ৭ মে মালদ্বীপে সাউথ এশিয়ান জুনিয়র ও ক্যাডেট টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেবে বলে ক্যাম্পে থাকা জুনিয়র ১০ টিটি খেলোয়াড় ছুটি পাচ্ছেন না। তবে সিনিয়র টিটি খেলোয়াড়রা ঈদের ছুটি পেয়েছেন। ছুটি না পাওয়ায় এবারই প্রথম ক্যাম্পে ঈদ করতে হচ্ছে। 

জুনিয়র টিটি দলের অন্যতম সদস্য সাদিয়া রহমান মৌ এ প্রসঙ্গে বলেন, 'প্রথমবার আমরা ক্যাম্পে ঈদ করব। যদিও ২০১৫ সালে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে একবার কোরবানির ঈদ করেছিলাম বিদেশে। এবার দেশের মাটিতেই পরিবারের বাইরে ঈদ করব।' ক্যাম্পে ঈদ করতে হবে বলে মাকে খুব মিস করবেন বলে জানান মৌ, 'মাকে কাছে পাবো না। পরিবারের সঙ্গে ঈদ হয়তো করা হবে না। তবে সবাই মিলে মজা করব। মাকে ফোন করব।'