সম্প্রতি কমনওয়েলথ গেমস খেলতে বার্মিংহামে যাওয়ার পর না খেলে ঘুরতে যাওয়ায় নিষিদ্ধ করা হয় সোনম সুলতানা সোমা এবং সাদিয়া রহমান মৌকে। সেই সিদ্ধান্ত নেয়ার ১৫ দিন পর অভিযুক্ত দুই খেলোয়াড়কে শোকজ চিঠি দিয়েছে ফেডারেশন।

নিষিদ্ধ করার আগে কারণ দর্শানোর নোটিশ না দিয়ে কেন পরে দেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে টেনিস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জানালেন, দেশে না থাকায় আগে শোকজ চিঠি দিতে পারেননি তারা। তিনি বলেন, সভার পরপরই আমাদের লাওস সফর ছিল। লাওস থেকে সম্প্রতি ফিরেছি। ফিরেই তাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত দুই খেলোয়াড় ফেডারেশনের শোকজ গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশের তারকা টেবিল টেনিস খেলোয়াড় সোনাম সুলতানা সোমা বলেন, 'চিঠিতে তিন কার্যদিবসের মধ্যে উত্তর দিতে বলা হয়েছে। সময়সীমার মধ্যেই উত্তর দেব।'

৫ আগস্ট এই দুই টেবিল টেনিস খেলোয়াড়ের ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নারী দ্বৈত মিশ্র ইভেন্টের খেলা ছিল। তবে ম্যাচটি তারা না-খেলে গেমস ভিলেজ থেকে বেরিয়ে বরং বেড়াতে যায় আত্মীয়ের বাসায়। একসময় সবাই ধরে নিয়েছিল, অনুমতি না নিয়ে গেমস ভিলেজ থেকে চলে যাওয়া সোমা ও মৌ পালিয়েছেন। তখন পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার চিন্তাও করছিলেন বলে জানিয়েছেন বার্মিংহাম গেমসে বাংলাদেশ দলের সঙ্গে থাকা এক কর্মকর্তা।

শেষ পর্যন্ত সেদিন রাত সাড়ে ৮টায় ভিলেজে ফেরেন সোমা ও মৌ। কমনওয়েলথ গেমসে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে দু'জনকে ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় দুই এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ৭২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়ে ইতোমধ্যে শোকজ চিঠি দিয়েছে ফেডারেশন।