তিন মাসে দুটো বৈশ্বিক আসরের ফাইনাল মিস পাকিস্তানের। এক আসরে (এশিয়া কাপ) খেলতেই পারেননি পাকিস্তানের স্ট্রাইক বোলার শাহিন শাহ আফ্রিদি। আর সদ্য সমাপ্ত টি২০ আসরের ফাইনালেও শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারলেন না। লো স্কোরিং ম্যাচে আফ্রিদিকে শেষ পর্যন্ত পেলে ভিন্ন কিছু হতে পারত বলে মনে করছেন দলের অধিনায়ক বাবর আজম।

পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণের মূল অস্ত্র আফ্রিদি। গেল জুলাইতে ফিল্ডিং করতে গিয়ে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ইনজুরিতে পড়েন তিনি। এর পর ইনজুরির কারণে এশিয়া কাপ ও ঘরের মাঠে গেল সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ মিস করেন। আফ্রিদিকে ছাড়া এশিয়া কাপের শিরোপার পাশাপাশি ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও ৪-৩ ব্যবধানে সিরিজ হারে পাকিস্তান। আফ্রিদি ছয় সপ্তাহের রিহ্যাব শেষ করে যোগ দেন বিশ্বকাপ স্কোয়াডে। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ২২ রানে ৪ উইকেট, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেমিফাইনলে ২৪ রানে ৩ উইকেট এবং ইনজুরিতে পড়ার আগে ফাইনালে ১৩ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট। পুরো টুর্নামেন্টে ১১ উইকেট নিয়ে ছিলেন যৌথভাবে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক।

ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের সময়ে ১৩তম ওভারে লং-অফ থেকে দৌড়ে এসে হ্যারি ব্রুকের ক্যাচ নিতে গিয়ে মূলত ইনজুরিতে পড়েন এই স্পিডস্টার। পরে বল করার চেষ্টা করে এক বল করে আর এগোতে পারেননি আফ্রিদি। ডান হাঁটুর মারাত্মক ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়েন। তাই আবারও লম্বা সময়ের জন্য আফ্রিদিকে ছাড়া খেলতে হবে পাকিস্তানকে। আসন্ন ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে থাকছেন কিনা আফ্রিদি, সেটা এখনও নিশ্চিত করেনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তবে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে রাখা হলেও সেটা হবে লংগার ভার্সনে তাঁকে ফেরানো প্রচেষ্টা। এই ফরমেট থেকে প্রায় সাড়ে তিন মাস বাইরে আছেন শাহিন আফ্রিদি।